বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক মুখেই রাজ্যে ফের তৎপর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। শনিবার সকালে হঠাৎ কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয় রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়ি। সেখানে পৌঁছন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। তবে সূত্রের খবর, এটি কোনও আচমকা হানা নয়। শারীরিক অসুস্থতার কারণে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে অপারগ পার্থ নিজেই তদন্তকারীদের বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদের আর্জি জানিয়েছিলেন। সেই আর্জিতে সাড়া দিয়েই এদিন তাঁর বাসভবনে পৌঁছয় ইডি। প্রাক্তন মন্ত্রী বর্তমানে বাড়িতেই রয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ CBSE শিক্ষা বোর্ডে ‘তৃতীয় ভাষা’ বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত
শুধু পার্থ চট্টোপাধ্যায় নন, শনিবার ইডির নজরে রয়েছেন শাসক শিবিরের আরও বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট। এদিন নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ‘মিডলম্যান’ প্রসন্নকুমার রায়ের নিউটাউনের অফিসেও যান আধিকারিকরা। অন্যদিকে, পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির স্ক্যানারে রয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায়, এদিন প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সে যান তাঁর ছেলে সমুদ্র। পাশাপাশি, মধ্যমগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী রথীন ঘোষকেও এদিন তলব করা হয়েছে, তবে তিনি এখনও ইডি দপ্তরে পৌঁছননি।
আরও পড়ুনঃ লাগবে হেল্থ সার্টিফিকেট, ৫৫৪টি ব্যাঙ্ক শাখায় রেজিস্ট্রেশন! কেন্দ্রের তোড়জোড় শুরু অমরনাথ যাত্রার
২০২২ সালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর দীর্ঘ সময় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে ছিলেন পার্থ। গত বছরের নভেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট ও নিম্ন আদালত থেকে সমস্ত মামলায় জামিন পেয়ে আপাতত মুক্ত তিনি। তবে ভোটের মুখে ইডির এই জোড়া ‘অ্যাকশন’ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল শুরু হয়েছে। শাসক শিবিরের নেতা-মন্ত্রীদের অভিযোগ, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ব্যবহার করে এই ষড়যন্ত্র চলছে।



