নাশিক পুলিশ TCS-এর ১৪৭ জন কর্মীর একটি ইউনিট থেকে ৬ জন টিম লিডার ও ম্যানেজারকে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ – যৌন হয়রানি, স্টকিং, ধর্মীয় চাপ সৃষ্টি এবং একটি ধর্ষণের মামলা। ২০২২ সাল থেকে মূলত তরুণী হিন্দু নারীদের টার্গেট করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ।
দুই সপ্তাহ ধরে মহিলা পুলিশরা গৃহপরিচারিকার ছদ্মবেশে তদন্ত চালায়। এরপর ৮ জন মহিলা ও ১ জন পুরুষের পক্ষ থেকে মোট ৯টি এফআইআর দায়ের হয়, যেখানে অশালীন মন্তব্য, জোর করে ধর্মীয় আচরণ করানো এবং মানসিকভাবে প্রভাবিত করার অভিযোগ রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ঠিক যেন ‘ধুরন্ধর’ স্টাইল! লশকরের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আমির হামজ়াকে লক্ষ্য করে গুলি
গ্রেফতার হওয়া ৬ কর্মী – আসিফ আনসারি, শাফি শেখ, শাহরুখ কুরেশি, রাজা মেমন, তৌসিফ আত্তার ও দানিশ শেখ – এর বিরুদ্ধে অভিযোগ: যৌন হয়রানি,ব্ল্যাকমেইল, হিন্দু নারীদের ধর্মান্তরিত করার চাপ, নামাজ পড়তে বাধ্য করা, গরুর মাংস খাওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি, হিন্দু দেবদেবীদের অপমান ।
এই মামলার সূত্রপাত হয় ২৬ মার্চ একটি ধর্ষণের অভিযোগ থেকে। পরে তা বাড়তে বাড়তে ৯টি অভিযোগে পৌঁছায়। সিসিটিভি ফুটেজ ও আন্ডারকভার তদন্তের ভিত্তিতে বিশেষ তদন্ত দল (SIT) গঠন করা হয়েছে।
TCS অভিযুক্ত ৭ কর্মীকে সাসপেন্ড করেছে, অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে এবং তাদের “জিরো টলারেন্স” নীতির কথা জানিয়েছে। একই সঙ্গে HR-এর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে বিজ্ঞাপনের জন্যে ৩০ কোটি টাকার খরচ!
HR নিদা খান, একজন মহিলা, তার বিরুদ্ধেও নানা অভিযোগ ওঠে আসছে, তিনি পুরো ঘটনাতে সক্রিয় ভূমিকা আছে বলে অভিযোগ, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে সমাজের ব্যাকওয়ার্ড গরীব মেয়েদের Recruitment যাতে শোষণ করা যায় । ভিকটিমদের অসহযোগিতা , এই ঘৃন্য ঘটনাতে তার ভূমিকা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন ।
নিদা খান এক পলাতক । খোঁজ চলছে । তদন্তকারীরা তার নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং সংস্থার ভেতরে তার ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অধিকাংশ ভুক্তভোগীই ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী হিন্দু নারী, যাদের মাসিক আয় ছিল প্রায় ১৮,০০০ থেকে ২৫,০০০ টাকার মধ্যে।



