সোমেন দত্ত, কোচবিহারঃ
শেষ পর্যায়ের নির্বাচনী প্রচার ঘিরে সরগরম বাংলার রাজনীতি। বিজেপির হেভিওয়েট নেতা নেত্রীরা বাংলায় এসে মানুষের কাছাকাছি পৌঁছনোর চেষ্টা করছেন। এই আবহেই আজ উত্তর বঙ্গে আসর জমিয়ে দিয়ে গেলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। কোচবিহারের মাথাভাঙায় এসে জনসভাতে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন তোষণের রাজনীতির অবসান হতে চলেছে বাংলায়। নিজের রাজ্যের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন বিজেপি বাংলায় সরকার গড়লে আজানের শব্দ মসজিদের বাইরে আসবে না, তা মসজিদের ভিতরেই মিলিয়ে যাবে।
আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গে বড় জয়ের পথে বিজেপি! শেষ রক্ষা হচ্ছে না মমতার
তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন বাংলায় লাভ জিহাদ এবং ল্যান্ড জিহাদের অবসান ঘটাতে চলবে বুলডোজার। জিহাদিদের ধুলোয় মিশিয়ে দিয়ে রাজ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনা হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলার মাটিতে রামকৃষ্ণ, বিবেকানন্দের মত সন্ন্যাসীরা জন্মেছেন কিন্তু আজ তৃণমূলের সামনে রাজ্যে হিন্দুরা বিপন্ন এবং কোনঠাসা।
মালদার ঘটনার উদাহরণ টেনে যোগী বলেন জিহাদিরা বাংলায় সন্ত্রাস ছড়িয়ে দিচ্ছে দাঙ্গা উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং এইসব সম্ভব হয়েছে তৃণমূলের তোষণ নীতির জন্যে। বাংলায় গোহত্যা থেকে শুরু করে সিন্ডিকেট রাজ নিয়েও তৃণমূলকে তুলোধোনা করেন যোগী তার আগুন ঝরান ভাষণে। যোগীর এই ভাষণের পাল্টা তৃণমূল নেতৃত্ব বলেছে বিজেপি শুধু মাত্র সাম্প্রদায়িকতার রাজনীতি করে বাংলায় আসতে চাইছে।
আরও পড়ুনঃ “কলকাতা জেগে উঠেছে, এবার জয় নিশ্চিত”, মমতাগড়ে শুভেন্দু
তারা আরও বলেছে, যোগীর নিজের রাজ্যেই শান্তি নেই সেখানে মহিলাদের উপর অত্যাচার হচ্ছে দলিতদের উপর অত্যাচার হচ্ছে কিন্তু তিনি বাংলায় এসে সাম্প্রদায়িক ভাষণ দিচ্ছেন। তবে বিজেপি নেতৃত্ব এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ বলেছেন যোগী একেবারেই বাংলার এই মুহুর্যের সমস্যাগুলি তুলে ধরেছেন এবং নির্বাচনে এই জনসংযোগের প্রভাব নিশ্চই পড়বে। তারা আরও বলেছেন, এই রাজ্যের মানুষ যথেষ্ট বিরক্ত এবং ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন। যে রাজ্যে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে সেখানে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষের কি সুরক্ষা আছে এমনটাও বলেছেন তারা।



