Monday, 20 April, 2026
20 April
HomeকলকাতাLiquor Shop: সন্ধ্যা ৬টা বাজলেই মদের দোকান বন্ধ, ভোট-বাংলায় ড্রাই ডে

Liquor Shop: সন্ধ্যা ৬টা বাজলেই মদের দোকান বন্ধ, ভোট-বাংলায় ড্রাই ডে

এবার ভোটের চার দিন আগেই বন্ধ মদের দোকান! সোমবার বিকেল থেকেই রাজ্যজুড়ে ‘ড্রাই ডে’

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই মদের অবাধ কারবারে লাগাম টানল নির্বাচন কমিশন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকেই রাজ্যে মদ বিক্রির ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সোমবার কমিশনের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ‘SILENCE PLEASE’! বাইকে স‌ওয়ার হতে চলেছে বাহিনী!

কমিশনের নির্দেশিকায় যা বলা হয়েছে

জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১৩৫ (সি) ধারা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের নির্ধারিত সময়ের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও হোটেল, রেস্তরাঁ, ক্লাব বা দোকানে মদ বিক্রি বা পরিবেশন করা যাবে না।

প্রথম দফা (২৩ এপ্রিল): উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল ও দক্ষিণবঙ্গের ১৫২টি কেন্দ্রে ভোটের আগে এই নিয়ম কার্যকর হবে।

দ্বিতীয় দফা (২৯ এপ্রিল): কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও একই নিয়ম বজায় থাকবে।

ফলপ্রকাশ (৪ মে): ভোটগণনার দিনেও গোটা রাজ্যজুড়ে মদের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ “গুন্ডাদের জায়গা জেল বা শ্মশান”; নিশানা রাজনাথের

হিংসা রুখতে কঠোর প্রশাসন

অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ কমিশন। একুশের নির্বাচনের পর রাজ্যজুড়ে ভোট পরবর্তী হিংসার যে ছবি দেখা গিয়েছিল, তা রুখতেই এই সিদ্ধান্ত। চব্বিশের লোকসভা ভোট মোটের উপর শান্তিপূর্ণ থাকলেও, ছাব্বিশের নির্বাচনে সেই ধারা বজায় রাখতে তৎপর মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনও আধিকারিক যদি রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব করেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রত্যেক পুলিশ সুপারকে কোনওরকম অশান্তি দেখলেই কঠোর হাতে তা দমনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, এই ‘ড্রাই ডে’-র নিয়ম লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট লাইসেন্সপ্রাপ্ত দোকানের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা এবং লাইসেন্স বাতিলের মতো পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন