Tuesday, 28 April, 2026
28 April
HomeকলকাতাBENGAL ELECTION 2026: শহরতলির বুথ নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা কমিশনের, 'ভোটদান বাড়বে', আশাবাদী...

BENGAL ELECTION 2026: শহরতলির বুথ নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা কমিশনের, ‘ভোটদান বাড়বে’, আশাবাদী সুব্রত গুপ্ত

নজর রয়েছে কমিশনের, যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

প্রথম দফার ভোট অবাধ এবং শান্তিপূর্ণভাবে মিটেছে, ভোটদানের হার ছুঁয়েছে ৯৩%। দ্বিতীয় দফার আগে কিছু জায়গা থেকে অশান্তির খবর মিলেছে যদিও। তবে, বাংলায় বিগত কিছু বছরে ভোটে যা ছবি দেখা গিয়েছে, সেই চিত্র এই বছর পাল্টাতে চলেছে, ভোটদানও বাড়বে – এই নিয়ে ১০০% আশাবাদী বিশেষ পর্যবেক্ষক তথা নির্বাচন পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত।

আরও পড়ুনঃ প্রচার শেষ, ‘মোদীর গ্যারান্টি’ না ‘মমতার বদলা’! হাই ভোল্টেজ ভোটে নানা এলাকায় অশান্তি কপালে ভাঁজ ফেলল কমিশনের

দ্বিতীয় দফার এই ভোটপর্ব মূলত শহরতলিতে হবে। ৩০০-র বেশি ভোটার সংখ্যা যেসব বহুতল আবাসনে, সেরকম ৭৯ টা জায়গা বেছে নিয়ে তৈরি হয়েছে বুথ। শহরাঞ্চলে যেখানে ভোটদানের হার কোনওবারই খুব একটা বেশি নয়, এই বছর কি সেই প্রথার অন্যথা হবে? সুব্রত গুপ্তের কথায়, ”আগে আবাসনের মানুষ কমপ্লেক্সের বাইরে বেরিয়ে কাছাকাছি কোনও বুথে ভোট দিতেন, তাঁদের জন্য ওই কমপ্লেক্সেই বুথ করা হচ্ছে। এতে একটা ভাল প্রভাব পড়বে বলে আমার ধারণা।”

তাঁর মতে, ”অনেকেই আগে অভিযোগ করতেন যে, তাঁরা বাইরে গিয়ে ভোট দিতে ভয় পান, কোনও কোনও ক্ষেত্রে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়েছে। সেই বাধা এইসব আবাসনে থাকছে না।”

তবে শুধু তাই নয়, এটা তো গেল প্রাথমিক পরিকল্পনা, এ ছাড়াও আলাদা আরও কিছু ভাবনাচিন্তা রয়েছে কমিশনের। বিশেষ পর্যবেক্ষক জানান, যেখানে যেখানে মানুষ বহুতল আবাসনে থাকেন, সেইসব জায়গায় অতিরিক্ত কুইক রিঅ্যাকশন টিমকে রাখা হবে, যাতে কোনরকম সমস্যার সম্মুখীন তাঁরা না হন। যদি তাঁরা বাইরে গিয়েও ভোট দিতে হয়, তাতেও যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর রয়েছে কমিশনের, যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ শুধু একটু জমায়েতের খবর ছিল, সাঁজোয়া গাড়ি নিয়ে একেবারে হাজির CRPF

এত কিছুর পরেও কি এবার ভোটদানের হার বাড়বে? সেই নিয়ে যদিও আশাবাদী বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। তাঁর কথায়, ”আমার মনে হয়েছে, বহুতল আবাসনে থেকে এবার অনেক বেশি মানুষ ভোট দেবেন। যাঁদের আবাসনে বুথ হচ্ছে, তাঁরা তো ভোট দেবেনই, যাঁদের আবাসনে হচ্ছে না, তাঁদের জন্য আমরা আলাদা ভাবে সিকিউরিটির ব্যবস্থা করেছি, যাতে, তাঁরা যে ধরনের অভিযোগগুলো করেন, তা নির্মূল করা সম্ভব হয়।”

বিশেষ পর্যবেক্ষক আগেই জানিয়েছিলেন, এবারের ভোটে বাংলার বহুদিনের নির্বাচনী সংস্কৃতি বদলানো হবে। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। প্রথম দফায় সেই আশ্বাসবাণী কিছুটা ফলেছে, দ্বিতীয় দফা নিয়ে কী ভাবছেন তিনি? সাফ জবাব সুব্রত গুপ্তের, ”বঙ্গের নির্বাচনী কালচার প্রথম দফায় তো বদলেছে, ২৯ তারিখ দ্বিতীয় দফায় দেখা যাক কী হয়, তবে আমরা প্রস্তুত। আশা করছি ভোট সংস্কৃতি ১০০%-ই বদলাবে। আমাদের পরিকল্পনা সঠিক হয়েছে, এখনও পর্যন্ত সেই অনুযায়ী কাজ হয়েছে। এখানেই তৃতীয় কাজটি ভোটারদের, সেটা তাঁদের করতে হবে। বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে ভোট দিতে হবে। সেই কাজটা ওঁরা করবেন।”

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন