Saturday, 16 May, 2026
16 May
Homeজ্যোতিষ/আধ্যাত্মিকতাPhalaharini Kali Puja 2026: আজ ফলহারিণী অমাবস্যা; মায়ের আরাধনায় হাতে নাতে মিলবে...

Phalaharini Kali Puja 2026: আজ ফলহারিণী অমাবস্যা; মায়ের আরাধনায় হাতে নাতে মিলবে ফল!

ফলহারিণী কালীপূজার নিয়ম অনুযায়ী, অমাবস্যার সন্ধ্যায় বাড়ির মূল প্রবেশদ্বারে প্রদীপ জ্বালানো অশুভ শক্তি দূরে রাখার একটি কার্যকর উপায়।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

আজ ১৬ মে পালিত হতে চলেছে ফলহারিণী কালীপূজা। জ্যৈষ্ঠ মাসের অমাবস্যা তিথিতে অনুষ্ঠিত এই পূজা বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মনে করা হয়, দেবী কালী এই রূপে ভক্তের জীবনের সমস্ত অশুভ কর্মফল হরণ করেন, তাই তাঁর নাম ‘ফলহারিণী’। ২০২৬ সালে অমাবস্যা তিথি শুরু হয়েছে ১৬ মে ভোর ৫:১৩ মিনিটে এবং তা স্থায়ী হবে ১৭ মে রাত ১:৩১ মিনিট পর্যন্ত। তবে অমাবস্যার নিশিপালনের রীতি অনুযায়ী, অনেক মন্দির ও গৃহস্থবাড়িতে ১৫ মে রাত থেকেই পূজার নির্ঘণ্ট শুরু হবে।

আরও পড়ুনঃ জল্পনার অবসান; দ্বীপের নীচে মিলল বিশাল ‘গোপন’ কাঠামোর হদিশ, বারমুডা ট্রায়াঙ্গল রহস্যের সমাধান!

তান্ত্রিক মতে ফলহারিণী কালীপূজার বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। শাস্ত্র অনুযায়ী, মানুষের প্রতিটি কাজ বা কর্ম এক একটি সংস্কার তৈরি করে, যা তাকে জন্ম-মৃত্যুর চক্রে আবদ্ধ রাখে। দেবী ফলহারিণী তাঁর ভক্তদের এই কর্মফলের বন্ধন থেকে মুক্তি দিয়ে মোক্ষ প্রদান করেন। এই বিশেষ দিনে ভক্তরা দেবীর চরণে আম, জাম, লিচু, কলাসহ বিভিন্ন ঋতুফল নিবেদন করেন। অনেক ক্ষেত্রে ফল দিয়ে তৈরি মালাও দেবীকে পরানো হয়। দক্ষিণেশ্বরের আদ্যাপীঠ বা তারাপীঠের মতো সিদ্ধপীঠগুলিতেও এই দিনে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জনশ্রুতি রয়েছে, এই দিন অন্তত পাঁচটি মরশুমি ফল দিয়ে মায়ের পূজা দিলে মনের কামনা পূর্ণ হয়।

ফলহারিণী কালীপূজার সঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় জড়িয়ে আছে। এই পুণ্য তিথিতেই তিনি তাঁর সহধর্মিণী মা সারদা দেবীকে ‘ষোড়শী’ রূপে পূজা করেছিলেন এবং নিজের সমস্ত সাধনার ফল জগন্মাতার চরণে সমর্পণ করেছিলেন। সেই ঐতিহ্য মেনে আজও রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনে এই দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়। পূজার আচার হিসেবে গভীর রাতে কালী নাম সংকীর্তন, পুষ্পাঞ্জলি, আরতি এবং ভোগ নিবেদন করা হয়। বলিদানের প্রাচীন প্রথা বর্তমানে অনেকাংশেই প্রতীকী হয়ে দাঁড়িয়েছে; এখন ছাগল বলির পরিবর্তে চালকুমড়ো, আখ বা বাতাবি লেবু উৎসর্গ করার চল বেড়েছে। পরিবারের শান্তি রক্ষা এবং অশুভ শক্তির বিনাশে এই পূজা অত্যন্ত ফলদায়ক বলে বিশ্বাস করা হয়।

আরও পড়ুনঃ “বেড নেই বলা চলবে না”; কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

ফলহারিণী কালীপূজার নিয়ম অনুযায়ী, অমাবস্যার সন্ধ্যায় বাড়ির মূল প্রবেশদ্বারে প্রদীপ জ্বালানো অশুভ শক্তি দূরে রাখার একটি কার্যকর উপায়। এছাড়া অনেকে সংকল্প করে কোনো একটি বিশেষ ফল সারাবছর না খেয়ে দেবীর উদ্দেশে উৎসর্গ করে রাখেন। মনস্কামনা পূর্ণ হলে এক বছর পর সেই ফল গঙ্গায় বিসর্জন দিয়ে কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। আধ্যাত্মিক শুদ্ধিকরণ এবং মানসিক শান্তি লাভের জন্য ফলহারিণী অমাবস্যা বাংলার ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে এক বিশেষ সন্ধিক্ষণ।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন