Tuesday, 12 May, 2026
12 May
Homeদক্ষিণবঙ্গHijli Sharif: খেজুরির হিজলি শরিফে শর্ট সার্কিটে আগুন; মিথ্যাচারের পর্দা ফাঁস পশ্চিমবঙ্গ...

Hijli Sharif: খেজুরির হিজলি শরিফে শর্ট সার্কিটে আগুন; মিথ্যাচারের পর্দা ফাঁস পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের

বাংলাদেশে আবার সেই ভিডিয়োতে দাবি করা হয়েছে, বিজেপি নাকি মুসলিম ব্যক্তিদের দোকানে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই দুটো দাবিই মিথ্যা বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির নিচকসবা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার হিজলি শরিফে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল সম্প্রতি। সেই ঘটনা বিজেপি ঘটিয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেছিলেন, বিজেপিই নাকি সেখানে ভাঙচুর করেছে এবং আগুন জ্বালিয়েছে দোকানে দোকানে। এদিকে বাংলাদেশে আবার সেই ভিডিয়োতে দাবি করা হয়েছে, বিজেপি নাকি মুসলিম ব্যক্তিদের দোকানে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই দুটো দাবিই মিথ্যা বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ হাওড়ায় TMC নেতার বাড়িতে গোপন সুড়ঙ্গ! এরা করেছে কি?

এর আগে হিজলি নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘এভাবেই কি ‘ভয়’কে তাড়ানোর পরিকল্পনা? বাংলাকে জ্বালিয়ে দিয়ে?’ তৃণমূল সাংসদ দাবি করেন, খেজুরির হিজলি শরিফ এলাকায় যা ঘটেছে তা নৃশংসতার চরম উদাহরণ। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি সমর্থিত দুষ্কৃতীরা এলাকায় হামলা চালিয়ে ৬০টিরও বেশি দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয়। তিনি বলেন, এই হামলায় হিন্দু বা মুসলিম— কোনও সম্প্রদায়কেই আলাদা করে টার্গেট করা হয়নি। বরং এটি ছিল বাংলার সামাজিক সম্প্রীতি, গণতান্ত্রিক পরিবেশ এবং শান্তিতে বসবাস করতে চাওয়া সাধারণ মানুষের উপর পরিকল্পিত আঘাত। এদিকে বাংলাদেশে আবার এই ঘটনার ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। সেখানে মৌলবাদীরা দাবি করে, মুসলিমদের ২৬টি দোকান পুড়িয়ে দেয় বিজেপি। তবে অভিষেকের মিথ্যাচারের পর্দা ফাঁস করল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যে আসল পরিবর্তন শুরু হল, প্রথমদিন মন্ত্রিসভার কাজ সেরে রাতে পোস্ট মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

এই নিয়ে ফেসবুক পোস্ট করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ লেখে, ‘পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তালপাটি ঘাট উপকূল থানার অন্তর্গত হিজলি এলাকায় সম্ভাব্য বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে মোট ২৫টি দোকান (যার মধ্যে ১৩টি হিন্দু সম্প্রদায় এবং ১২টি মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্তর্গত) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের ডাকা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহত বা আহত হওয়ার খবর নেই। তবে এ বিষয়ে একটি নির্দিষ্ট মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের সহায়তায় জেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। অনুগ্রহ করে এই ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক বা রাজনৈতিক ঘটনা হিসেবে প্রচার করা থেকে বিরত থাকুন।’

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন