Tuesday, 12 May, 2026
12 May
HomeকলকাতাRujira Narula: অভিষেক পত্নী রুজিরার নথিতে রহস্যজনক দুই বাবা!

Rujira Narula: অভিষেক পত্নী রুজিরার নথিতে রহস্যজনক দুই বাবা!

থাইল্যান্ডের নাগরিক হিসেবে জন্ম নেওয়া এই রুজিরার নথিপত্রে অসঙ্গতি, সোনা চোরাচালানের অভিযোগ এবং রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ তাঁকে বারবার শিরোনামে নিয়ে এসেছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ফের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্ব ভারতীয় সম্পাদক ও মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা নারুলা বন্দোপাধ্যায় বর্তমানে ভারতীয় রাজনীতির একটি আলোচিত নাম। থাইল্যান্ডের নাগরিক হিসেবে জন্ম নেওয়া এই রুজিরার নথিপত্রে অসঙ্গতি, সোনা চোরাচালানের অভিযোগ এবং রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ তাঁকে বারবার শিরোনামে নিয়ে এসেছে।

২০১২ সালে অভিষেকের সঙ্গে বিয়ে হওয়ার পর থেকেই তাঁর জীবন রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে।রুজিরার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে তাঁর নথিপত্রের অসঙ্গতি নিয়ে। ২০১০ সালে ব্যাংককের ভারতীয় দূতাবাস থেকে তাঁর পার্সন অফ ইন্ডিয়ান অরিজিন (PIO) কার্ড ইস্যু হয়, যেখানে তাঁর বাবার নাম উল্লেখ করা হয় নিফন নারুলা হিসেবে।

আরও পড়ুনঃ সাইবার মামলায় গ্রেফতার বাংলাপক্ষের গর্গ

পরবর্তীকালে PIO কার্ডকে ওভারসিজ সিটিজেন অফ ইন্ডিয়া (OCI) কার্ডে রূপান্তরের সময় ২০১৩ সালের বিয়ের সার্টিফিকেট জমা দেন, যেখানে বাবার নাম গুরচরণ সিং আহুজা বলে উল্লেখ করা হয়। এই অসঙ্গতির কারণে ২০১৯ সালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (MHA) তাঁকে শো-কজ নোটিশ পাঠায়। মন্ত্রক জানায়, তিনি থাই নাগরিক হয়েও PAN কার্ডের জন্য ফর্ম ৪৯A (ভারতীয় নাগরিকদের জন্য) পূরণ করেছেন, যা অনিয়ম।

তাঁর উচিত ছিল ফর্ম ৪৯AA যা বিদেশি নাগরিকদের জন্য। এছাড়া আয়কর রেকর্ডে রুজিরা ব্যানার্জি ও রুজিরা নারুলা নামে দুটি আলাদা PAN নম্বরের উল্লেখ পাওয়া গেছে, যা আরও প্রশ্ন তুলেছে।২০১৯ সালের মার্চ মাসে কলকাতা বিমানবন্দরে রুজিরা ও তাঁর বোন মেনকা গম্ভিরের লাগেজ থেকে প্রায় ২ কেজি সোনা উদ্ধারের অভিযোগ ওঠে। কাস্টমস অফিসাররা সন্দেহ করেন যে ঘোষণা ছাড়াই সোনা আনা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বাড়ি না কি কোনো মুঘল স্থাপত্য! TMC নেতার বাড়ি বাড়ির তলায় গোপন সুড়ঙ্গ

অভিষেক বন্দোপাধ্যায় অবশ্য দাবি করেন, তাঁর স্ত্রী কোনও সোনা নিয়ে আসেননি এবং এটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। কলকাতা হাইকোর্ট এই মামলায় রুজিরাকে সুরক্ষা দেয়, কিন্তু বিতর্ক থেমে যায়নি। পরে কয়লা চোরাচালান মামলায় সিবিআই ও ইডি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।রুজিরা থাইল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই বেড়ে ওঠেন। তাঁর থাই পাসপোর্ট এবং OCI কার্ড থাকায় ভারতে দীর্ঘদিন থাকার সুবিধা রয়েছে।

২০১২ সালে অভিষেকের রাজনৈতিক উত্থানের সময়ই তাদের বিয়ে হয়। এই সময়কালকে অনেকে ‘সুবিধাজনক’ বলে দেখেন। তৃণমূলের ‘রয়্যাল ফ্যামিলি’র সদস্য হিসেবে তাঁর পরিবারের প্রভাব এবং সম্পত্তির বিষয়েও প্রশ্ন উঠেছে।এই ঘটনাগুলো ভারতীয় নাগরিকত্ব আইন, অভিবাসন নিয়ম এবং রাজনৈতিক নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নোটিশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে মিথ্যা তথ্য দিয়ে OCI এবং PAN প্রাপ্তির কারণে তা বাতিল হতে পারে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন