Monday, 25 May, 2026
25 May
HomeকলকাতাSSKM: হেস্টিংসে পুর-গাফিলতির বলি শিশু

SSKM: হেস্টিংসে পুর-গাফিলতির বলি শিশু

সকালে বাড়ির কাছে খেলার সময় আচমকাই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

 

খাস কলকাতায় পুরসভার চরম গাফিলতির বলি এক নিষ্পাপ শিশু। সোমবার সকালে হেস্টিংস থানা এলাকায় বাতিস্তম্ভের ভারী আলো মাথার ওপর ভেঙে পড়ে মৃত্যু হলো ছয় বছরের এক শিশু কন্যার। মৃতের নাম গুড়িয়া খাতুন। সকালে বাড়ির কাছে খেলার সময় আচমকাই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় রক্ষণাবেক্ষণের অভাব ও পুরপ্রশাসনের উদাসীনতার বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা। 

আরও পড়ুনঃ ভরাডুবির পর কি আবার ‘দিল্লি-মুখো’ মমতা?

ঘুম থেকে উঠেই খেলতে যাওয়া, তারপরই সব শেষ

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তখন সকাল ঠিক ৭টা। ঘুম থেকে উঠেই প্রতিদিনের মতো বাড়ির পাশে ওই বাতিস্তম্ভের নিচে খেলায় মগ্ন ছিল একরত্তি গুড়িয়া। ঠিক সেই সময়ই ওপর থেকে একটি ভারী লাইটের অংশ সরাসরি এসে পড়ে তার মাথার ওপর। মুহূর্তের মধ্যে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে শিশুটি, রক্তে ভেসে যায় রাস্তা। পরিবারের দাবি, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছিল গুড়িয়ার। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরাও জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তার প্রাণ চলে গিয়েছিল।

একটা মাত্র নাটে ঝুলছিল মরণফাঁদ!

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর বাতিস্তম্ভের আলোর যে অংশটি নিচে পড়েছে, তা পরীক্ষা করতেই চোখ কপালে উঠেছে স্থানীয়দের। পরিবারের অভিযোগ, ভেঙে পড়া ওই লাইটটিতে তিন-তিনটি স্ক্রু বা নাট লাগানোর ফুটো রয়েছে। কিন্তু হ্যালোজেনটিকে আটকে রাখার জন্য মাত্র একটি নাট ব্যবহার করা হয়েছিল! বাকি দুটি ফুটো ফাঁকাই ছিল। লাইটটি ভেঙে পড়ার পর সেই একটি মাত্র নাটও রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয়দের ক্ষোভ, এতদিন ধরে মহানগরের বুকে এমন মরণফাঁদ ঝুলছিল, অথচ পুরসভা বা সংশ্লিষ্ট দফতরের কোনও হেলদোল ছিল না। আদৌ এই বাতিস্তম্ভগুলির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় কি না, তা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ তুই তো অনেক বড় কাজ করিস রে!’, নাতির অফিস ঘুরে বিস্মিত অশীতিপর ঠাকুরমা, আশীর্বাদ করলেন প্রাণভরে

ঘটনাস্থলে পুলিশ, শুরু তদন্ত

ঘটনার খবর পেয়েই দ্রুত হেস্টিংস থানার পুলিশ বাহিনী সেখানে পৌঁছায়। যে বাতিস্তম্ভে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, সেই এলাকাটি এই মুহূর্তে গার্ডরেল দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। কী কারণে এবং কার গাফিলতিতে এত বড় বিপর্যয় ঘটল, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা তদন্ত শুরু করেছেন। তবে এই অকালমৃত্যু কলকাতার রাজপথে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে আরও একবার বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন খাড়া করে দিল

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন