Friday, 29 May, 2026
29 May
HomeকলকাতাWB Lottery: ফিরছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য লটারি! সরকারের আয় বাড়াতে বড় নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী...

WB Lottery: ফিরছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য লটারি! সরকারের আয় বাড়াতে বড় নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

সরকারের নিজস্ব আয় বাড়াতে আবারও চালু হতে চলেছে 'পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য লটারি'।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

রাজ্যের আর্থিক অবস্থা মজবুত করতে এবং সরকারের নিজস্ব আয় বাড়াতে আবারও চালু হতে চলেছে ‘পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য লটারি’। আগামী ২২ জুন বিধানসভায় নতুন সরকারের বাজেট পেশের পরেই এই লটারিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যেই অর্থ দপ্তরকে এই সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

নবান্ন সূত্রে খবর, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এবার একটি বিশেষ শর্ত দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, যে টিকিটগুলো বাজারে বিক্রি হবে না, সেগুলোর যেন কোনওভাবেই লটারির ড্র বা খেলা না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ জাল নথি নিয়ে ভারত থেকে পালতে গিয়ে পানিট্যাংকি সীমান্তে আটক ২ থাই মহিলা

মুখ্যমন্ত্রীর যুক্তি, বর্তমানে বাইরের রাজ্যের বিভিন্ন সংস্থা রাজ্য সরকারের কাছ থেকে ‘নো অবজেকশন’ বা অনাপত্তি শংসাপত্র নিয়ে এ দেশে রমরমিয়ে লটারির ব্যবসা চালাচ্ছে। এর ফলে বিপুল পরিমাণ লভ্যাংশ বাইরের রাজ্যে চলে যাচ্ছে এবং পশ্চিমবঙ্গের নিজস্ব কোষাগারের ক্ষতি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ভিনরাজ্যের সংস্থার ওপর নির্ভর না করে রাজ্য নিজেই কেন এই ব্যবসা পরিচালনা করে রাজস্ব বাড়াবে না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আর সেই কারণেই এই লাভজনক ব্যবসাকে পুনরায় সরকারি নিয়ন্ত্রণে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

অতীতে এই রাজ্য সরকার নিজেই নিয়মিত সাপ্তাহিক এবং বিশেষ উৎসবের লটারির আয়োজন করত। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের লটারি বিভাগ মোট ৪৮টি সাপ্তাহিক খেলা এবং ৬টি বিশেষ বাম্পার খেলা পরিচালনা করত। এর মধ্যে ‘বঙ্গলক্ষ্মী সুপার’ ১২টি, ‘বঙ্গভূমি সুপার’ ১২টি এবং ‘বঙ্গলক্ষ্মী’ নামে ২৪টি সাপ্তাহিক খেলা অন্তর্ভুক্ত ছিল। পাশাপাশি দীপাবলি কিংবা রথযাত্রার মতো বড় উৎসবে ১ কোটি টাকার আকর্ষণীয় প্রথম পুরস্কার-সহ ‘বাম্পার লটারি’র আয়োজন করা হতো। সেই সময় সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে রাখতে সাপ্তাহিক টিকিটের দাম ছিল মাত্র ২ এবং ৫ টাকা, আর বাম্পার সিরিজের টিকিটের দাম রাখা হতো ১০ টাকা। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই সাপ্তাহিক লটারি থেকে বছরে ৬৬ কোটি টাকার টিকিট বিক্রি করে সরকারের ঘরে নিট ১৭ কোটি ৮১ লক্ষ টাকা রাজস্ব আসত।

আরও পড়ুনঃ কয়েক মিনিটে তছনছ হয়ে বদলে গেল শহরের চেহারা! থমকে গেল মেট্রো থেকে ট্রেন

পরবর্তী সময়ে লটারির জনপ্রিয়তা আরও বৃদ্ধি পায় এবং ২০১৮ সালের মে মাস থেকে প্রতিদিন রাজ্য লটারির খেলা শুরু হয়। এর সুফলও মেলে হাতেনাতে। লটারি বিভাগ ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে ১ হাজার কোটি টাকারও বেশি টিকিট বিক্রি করে রাজ্য কোষাগারে ২২৩ কোটি টাকা আয় এনে দেয়। এমনকি ২০১৯-২০ অর্থবর্ষেও সরকারের প্রায় ৩০০ কোটি টাকা আয়ের একটি মজবুত পথ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু বিপুল পরিমাণ রাজস্ব সংগ্রহের এমন সুবর্ণ সুযোগ থাকা সত্ত্বেও, ২০২০ সালের মার্চ মাসে এক অজ্ঞাত কারণে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য লটারি আচমকা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর পর ‘পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য লটারি’-র ব্র্যান্ডটিকে বেসরকারি হাতে তুলে দিয়ে আয় বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সরকারের তরফ থেকে টেন্ডার বা দরপত্র ডাকা হলেও, তাতে আশানুরূপ কোনও সাড়া মেলেনি। ফলে দীর্ঘ চার বছর ধরে এই লাভজনক সরকারি লটারি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়েছিল, যা এবার নতুন করে শুরু হতে চলেছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন