Wednesday, 17 June, 2026
17 June
Homeউত্তরবঙ্গDipak Barman: শিক্ষক সংকট কাটাতে দ্রুত উদ্যোগী সরকার; কোচবিহারে দীপক বর্মন

Dipak Barman: শিক্ষক সংকট কাটাতে দ্রুত উদ্যোগী সরকার; কোচবিহারে দীপক বর্মন

কোচবিহার-সহ উত্তরবঙ্গে তৃণমূল সরকারের আমলে যে সমস্ত রাজবংশী স্কুল গড়ে উঠেছিল তার ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে তিনি জানান, যে রাজবংশী স্কুলগুলোর কথা বলা হচ্ছে সেটা আসলে NGO স্কুল ।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

অতি দ্রুত শিক্ষক সংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে । মঙ্গলবার কোচবিহারে সাংবাদিক বৈঠকে এমনটাই জানালেন রাজ্যের স্কুল শিক্ষামন্ত্রী ও ক্ষুদ্র শিল্প দফতরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী দীপক বর্মন ।

শিক্ষামন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম এদিন কোচবিহারে আসেন । ফালাকাটার বিধায়ক হলেও দীপক বর্মন আসলে কোচবিহারের মারুগঞ্জের ভূমিপুত্র । এদিন তিনি জানান, সবে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে নতুন সরকার ৷ তিনিও মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব পেয়েছেন কিছুদিন হল ৷ ইতিমধ্যে রাজ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষক সংকট চলছে । শিক্ষক ও ছাত্র সামঞ্জস্য ফিরিয়ে আনায় তাঁর প্রধান লক্ষ্য । দ্রুত শিক্ষ নিয়োগের বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে ।

আরও পড়ুনঃ ৪২ জন শিল্পপতির যোগাযোগ রাজ্যে বিনিয়োগ করতে চেয়ে

পাশাপাশি শিল্প সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বলেন, “উত্তরবঙ্গে কর্মসংস্থানের জন্য শিল্প গড়তে উদ্যোগ নেওয়া হবে । কোনও এন্টারপ্রেনার শিল্প গড়তে চাইলে সরাসরি আমার দফতরে আসুন সহযোগিতা করা হবে । জমি নিয়ে শিল্পের জন্য ফেলে রাখা যাবে না । যারা জমি নিয়ে শিল্প গড়ছেন তাতে কোনও অসুবিধা নেই । কিন্তু জমি নিয়ে শিল্প না গড়লে সেটা ফেরত দিতে হবে ।”

যেভাবে একের পর এক দফতরে দুর্নীতি হয়েছে তাতে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর এক এক করে ফাইল খোলা হচ্ছে ৷ এবার কি সেই তালিকায় শিক্ষা দফতরের কোনও ফাইল থাকবে ? সাংবাদিকদের করা এই প্রশ্নের উত্তরে দীপক বর্মন জানান, বিগত সরকারের আমলে হওয়া শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি নিয়ে তদন্ত চলছে । আরও কোনও দুর্নীতির ফাইল থাকলে সেটা নিশ্চয়ই আইনি পদ্ধতিতে দেখা হবে ।

আরও পড়ুনঃ চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি! ডিম থেরাপি এবার বানারহাটে

এছাড়াও কোচবিহার-সহ উত্তরবঙ্গে তৃণমূল সরকারের আমলে যে সমস্ত রাজবংশী স্কুল গড়ে উঠেছিল তার ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে তিনি জানান, যে রাজবংশী স্কুলগুলোর কথা বলা হচ্ছে সেটা আসলে NGO স্কুল । সেখানে যে পদগুলো তৈরি করা হয়েছে তা অনেকটা যেগুলো প্যারাটিচার টাইপের ৷ পূর্ণ রাজবংশী স্কুলগুলোর বিষয়ে তাঁর জানা নেই ।

অন্যদিকে, রাজ্যের বিভিন্ন স্কুল সিলেবাসে কোচবিহারের ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত করা হবে কিনা এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, সিলেবাস একটি চলমান প্রক্রিয়া । সমাজের প্রয়োজনে সময়ের দাবিকে মান্যতা দিয়ে সিলেবাস কমিটি যেভাবে মতামত দেবে সেভাবে কাজ হবে ।

 

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন