Thursday, 13 August, 2026
13 August
HomeকলকাতাNRS: দরজা ভেঙে উদ্ধার দেহ; এনআরএস হাসপাতালে নার্সের রহস্যমৃত্যু

NRS: দরজা ভেঙে উদ্ধার দেহ; এনআরএস হাসপাতালে নার্সের রহস্যমৃত্যু

কী ভাবে তাঁর মৃত্যু হল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রহস্য ঘনীভূত হয়েছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কলকাতার নীলরতন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের (এনআরএস) শৌচালয় থেকে নার্সের দেহ উদ্ধার হল। সূত্রের খবর, বুধবার রাতে স্ত্রীরোগ বিভাগে ডিউটি ছিল ওই মহিলা নার্সের। রাত সাড়ে ১০ টা নাগাদ শৌচালয়ে যান। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ না আসায় তাঁর খোঁজ করা হতে থাকে। পরে দরজা ভেঙে শৌচালয় থেকে উদ্ধার করা হয় নার্সের দেহ। ইতিমধ্যে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ লাদাখের লেহে ৫.৫ মাত্রার মাঝারি ভূমিকম্প

তারইমধ্যে হাসপাতালের সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কোনও ইঞ্জেকশনের কারণে ওই নার্সের মৃত্যু হতে পারে। তবে কী ইঞ্জেকশন, কোথা থেকে এল, সেই বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়। পুরো বিষয়টি নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বা পুলিশের তরফে আপাতত কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ইতিমধ্যে পুলিশ অবশ্য তদন্ত শুরু করে দিয়েছে। অপেক্ষা করছে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের।

আর সেই ঘটনা এমন একটা সময় ঘটেছে, যার কয়েকদিন আগেই আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ধর্ষণ কাণ্ডের দু’বছর পূর্ণ হয়েছে। ২০২৪ সালে আরজি করের জরুরি বিভাগ থেকে চিকিৎসক-পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল, প্রাথমিকভাবে সেই ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল একটি মহল। পরবর্তীতে সামনে আসে ধর্ষণ করে খুনের বিষয়টা। তারপর উত্তাল হয়েছিল কলকাতা-সহ পুরো পশ্চিমবঙ্গ।

আরও পড়ুনঃ নজিরবিহীন পরিস্থিতি, আজ ‘ওয়াশ আউট’; অনড় দু’পক্ষই

নতুন করে FIR দায়ের RG কর মামলায়

তবে সেই মামলার তদন্ত নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে পরিবারের। রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরে নতুন করে আরজি কর ফাইল খুলেছে। সিবিআই নতুন করে ময়দানে নেমেছে। খড়দা থানায় নতুন করে দায়ের করা হয়েছে এফআইআর। তথ্যপ্রমাণ লোপাট, জোর করে কাজ করানো এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মতো অভিযোগ তোলা হয়েছে।

চিকিৎসক-পড়ুয়ার বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে পানিহাটির তৎকালীন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক নির্মল ঘোষের পাশাপাশি তৎকালীন স্থানীয় কাউন্সিলর সোমনাথ দে এবং প্রতিবেশী সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে রুজু করা হয়েছে এফআইআর। কী কারণে তড়িঘড়ি দেহ সৎকার করে দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন চিকিৎসক-পড়ুয়ার পরিবারের সদস্যরা।

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন