সব্যসাচী দত্তের ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর বাড়ি থেকে তিন কেজি সোনা উদ্ধার করা হল। সূত্রের খবর, তোলাবাজি মামলায় ধৃত তৃণমূল নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে যে তেহট্টে নদিয়ার জেলা পরিষদের সদস্যের বাড়িতে সোনা রাখা আছে। সেইমতো গতরাতেই ওই তৃণমূল নেত্রীর বাড়ি এবং তাঁর বাবার বাড়িতে অভিযান চালায় বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। দুটি বাড়ি মিলিয়ে উদ্ধার করা হয় তিন কেজির সোনা মতো। আপাতত যা বাজারমূল্য, তাতে ওই তিন কেজি সোনার দাম চার কোটি টাকার মতো হবে। তবে বিষয়টি নিয়ে আপাতত পুলিশের তরফে সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি।
আরও পড়ুনঃ সাবধান বাম-কংগ্রেস-বিজেপি! ‘বিদ্রোহী’ বিধায়ক-সাংসদ, খোদ মমতার ‘নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ’!
প্রচুর সোনা কেনার রশিদ মেলে
তবে সব্যসাচী মামলায় এই প্রথমবার সোনা বাজেয়াপ্ত করল না পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে আগেই সোনা উদ্ধার করা হয়েছিল। গত ১৫ জুন সব্যসাচীকে নিয়ে অভিযান চালায় বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। রাজারহাটের একটি বহুতল আবাসনে প্রাক্তন বিধায়কের ফ্ল্যাটে চলে সাত ঘণ্টার তল্লাশি অভিযান। সূত্রের খবর, তল্লাশি অভিযানের সময় প্রচুর পরিমাণে সোনার কেনার রশিদ মিলেছে। যেটার মূল্য কয়েক কোটি টাকা হবে বলে সূত্রের খবর।
আরও পড়ুনঃ ‘CPIM-র খুন-ধর্ষণের সংস্কৃতি, সেই দলেরই প্রোডাক্ট ঋতব্রত’, শো-কজের বন্যা মমতাদের
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার সব্যসাচী
উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরুতেই বিধাননগর পুরনিগমের মেয়রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এক পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন, ২০১৮ সালে এক কোটি টাকার বেশি তোলা চাওয়ার অভিযোগে এক ব্যবসায়ী অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তবে তাঁর বিরুদ্ধে সেই একটা অভিযোগই ছিল না। সবধরনের ব্যবসায়ীদের থেকে তোলাবাজি, সিন্ডিকেট চালানোর মতো গুচ্ছ-গুচ্ছ অভিযোগ আছে সব্যসাচীর বিরুদ্ধে।
এমনকী সব্যসাচীকে লক্ষ্য করে ডিম, গোবর এবং টমেটো ছোড়া হয়। একবার তো ডিমের আতঙ্কে দৌড়ে পুলিশের গাড়িতে উঠে পড়েন তৃণমূল নেতা। যে অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তা ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন সব্যসাচী। তাঁর দাবি, এক টাকাও তোলা নিলে ফাঁসি দিয়ে দেওয়া হোক। পালটা অভিযোগকারীর দাবি, ভয়াবহ অত্যাচার চালাতেন সব্যসাচী।


