আজকের বৃষ্টির লড়াইয়ে যেন মুখোমুখি ছিল কেষ্টপুর বনাম আলিপুর! কেষ্টপুর, বাগুইআটি, চিনার পার্ক, দমদম ও সল্টলেক অঞ্চলে বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ার প্রথম এক ঘন্টার মধ্যেই ১০০ মিমি-এর বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ভেনিজুয়েলার মাটি কেঁপে ওঠার আগেই বিপদবার্তা পাঠিয়েছিল Google!
অন্যদিকে আলিপুর, ভবানীপুর, এলগিন রোড ও সংলগ্ন অঞ্চলে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে ১১০ মিমি-এরও বেশি বৃষ্টি নথিভুক্ত হয়েছে।
এর জেরে কলকাতার একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। রাস্তায় যানজট, ব্যাহত জনপরিবহন এবং নাজেহাল সাধারণ মানুষ। আজকের বৃষ্টির পরিসংখ্যান বলছে, উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার মধ্যে কার্যত চলেছে বৃষ্টির তুমুল প্রতিযোগিতা!
শুক্রবার দুর্যোগের মাত্রা আরও বাড়তে পারে। এদিন দুই ২৪ পরগনা, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া, এই সাতটি জেলায় প্রবল ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়ে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। আগামী সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়বৃষ্টির এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। ঝোড়ো হাওয়ার দাপটে সমুদ্র উত্তাল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই নিরাপত্তার খাতিরে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। এছাড়া, বজ্রপাতের সময় সাধারণ মানুষকে খোলা মাঠে বা গাছের নীচে আশ্রয় নিতে কড়াভাবে নিষেধ করা হয়েছে।
আপনাদের এলাকায় বর্তমানে পরিস্থিতি কেমন?
বৃষ্টি এখনও চলছে? জল জমেছে? রাস্তাঘাটের অবস্থা কেমন? নিচে কমেন্টে জানিয়ে দিন এবং ছবি থাকলে শেয়ার করুন।


