রাতের পর সকালে কালীঘাটে ফের পুলিশি তৎপরতা। রবিবার সন্ধের পর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে পুলিশকর্মীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল। মধ্যরাতেই সরানো হয় সেই পুলিশবাহিনী। কিছুক্ষণ আগে পর্যন্ত কোনওরকম পুলিশ বা কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল না। কিন্তু, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফের বদলে গেল কালীঘাটের ছবি।
আরও পড়ুনঃ “বিরোধী থাকলে কেমন লাগে দেখুন”; মমতার হাউস অ্যারেস্ট অভিযোগে খোঁচা দিলীপের
রবিবার সন্ধের পর থেকে হঠাৎ করে কালীঘাটে পুলিশি তৎপরতা বাড়তে শুরু করে। মোতায়েন করা হয় প্রচুর পুলিশ। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে আনে তৃণমূলের আইটি সেল। একে একে বাড়িতে পৌঁছতে শুরু করেন ‘কালীঘাট’ তৃণমূলের নেতা-নেত্রীরা। তাঁরা অভিযোগ তোলেন, বারুইপুরে যেতে দেওয়া হবে না বলেই পুলিশ দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ঘিরে ফেলা হয়েছে। এদিকে, মমতাও অভিযোগ তোলেন, নজরবন্দি রাখা হয়েছে তাঁকে। তবে, এরপরই দেখা যায় রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কালীঘাট থেকে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ‘কার্যত নজরবন্দী’ মমতা; গণপিটুনিতে নিহতের অটোতেই তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বারুইপুরের কিশোরীকে?
সোমবার সকালেও কালীঘাটে সেভাবে কোনও পুলিশ বা কেন্দ্রীয় বাহিনী দেখা যায়নি। তবে, সকাল ৯টার পর থেকেই ধীরে ধীরে পুলিশ কর্মীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। সেইসঙ্গে মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। মমতার বাড়ির ঢোকার রাস্তার সামনেই দেখা গেল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বারুইপুরে যাতে আর কোনও অশান্তি না হয়, তার জন্যই এই পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাহিনীর সংখ্যা আরও বাড়বে বলে জানা গিয়েছে।


