Tuesday, 7 July, 2026
7 July
HomeকলকাতাED: ১৫০ কোটি ‘পাচার’ তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট থেকে! ইডির নজর তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে

ED: ১৫০ কোটি ‘পাচার’ তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট থেকে! ইডির নজর তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে

মধ্য কলকাতার একটি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের অফিসের ঠিকানাতেও হানা দেন ইডি আধিকারিকেরা।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) নজরে ১৫০ কোটি টাকার বেশি সন্দেহজনক লেনদেন। এই টাকা কয়েকটি সংস্থার মাধ্যমে পাচার করা হয়েছে বলে অনুমান। ইডির নজরে বিভিন্ন ভ্রমণ এবং বিমান পরিষেবা সংস্থা। সূত্রের খবর, প্রাথমিক তদন্তে কোটি কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের গন্ধ পাওয়া গিয়েছে। এই ঘটনায় ইডির আতশকাচের নীচে রয়েছে ‘কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশন’ নামক একটি সংস্থা। সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মতো ভিভিআইপি-দেরও চার্টার্ড বিমান ভাড়া দিত এই সংস্থাটি।

আরও পড়ুনঃ বারুইপুর গিয়ে পুলিশকে ৭২ ঘণ্টার ডেডলাইন মুখ্যমন্ত্রীর

মঙ্গলবার কলকাতার পাঁচ জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় ইডি। তল্লাশিতে বেশ কিছু নথি, বৈদ্যুতিন যন্ত্র বাজেয়াপ্ত করেছে। বাজেয়াপ্ত হওয়া সেই সব জিনিস খতিয়ে দেখে ‘বেআইনি’ আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

মঙ্গলবার সকালে লালবাজার সংলগ্ন রাধাবাজার এলাকায় ‘কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশন’ নামক উড়ান সংস্থার দফতরে হানা দেয় ইডি। এ ছাড়াও, সল্টলেকে ওই সংস্থার মালিকের বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়। পাশাপাশি নিউ টাউনের একটি ঠিকানাতেও তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকেরা। সূত্রের খবর, আরও যে দুই ঠিকানায় ইডি অভিযান চালিয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে ইলেক্টোরাল ট্রাস্টের দফতরও।

আরও পড়ুনঃ বাঙালির মাথা হেঁট করলেন শীতলকুচির বিজেপি কর্মীরা! সাহসীকতার পরিচয় দিলেন CPI(M)-এর ক্যাপ্টেন মীনাক্ষী

তদন্তকারীদের সূত্রে খবর, ‘কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশন’ সংস্থার অধীনে আরও অনেকগুলি সংস্থা রয়েছে। সেই সব সংস্থা মূলত ভ্রমণ এবং পরিষেবা সংক্রান্ত। অভিযোগ, এই সব সংস্থার মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। পাশাপাশি, মধ্য কলকাতার একটি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের অফিসের ঠিকানাতেও হানা দেন ইডি আধিকারিকেরা।

পরে গত ১৮ জুন বিধাননগর সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার এক বিধায়ক। তাঁর অভিযোগ, বড় ধরনের সাইবার প্রতারণার টাকা কিছু ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করেছে। তার মধ্যে তৃণমূলের কিছু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছেন তিনি। তার পরেই পুলিশ এফআইআর দায়ের করে। পরের দিন ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে তিনটি অ্যাকাউন্টের ডেবিট (টাকা তোলা) ‘ফ্রিজ়’ করার জন্য বলে পুলিশ। দলের অভ্যন্তরীণ টানাপড়েনের কথা উল্লেখ করে তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ় করার আবেদন জানিয়েছিলেন প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস। পরে এই মামলার তদন্ত শুরু করে ইডি।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন