Friday, 10 July, 2026
10 July
HomeকলকাতাKolkata: সূর্য আর মেঘের মজার কথোপকথনের মাঝেই হলদিরামের কাছে ডুবে গেল আস্ত...

Kolkata: সূর্য আর মেঘের মজার কথোপকথনের মাঝেই হলদিরামের কাছে ডুবে গেল আস্ত গাড়ি! বৃষ্টি, খিচুড়ি আর পরিবারের উষ্ণতা—এই তো বাঙালির বর্ষা!

ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (আইএমডি) জানিয়েছে, কলকাতা, শহরতলি এবং দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আগামী চার দিন ধরে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বৃষ্টি, খিচুড়ি আর পরিবারের উষ্ণতা—এই তো বাঙালির বর্ষা! আজ সারাদিনের টানা বৃষ্টিতে ঘরে বসেই জমে উঠেছিল আড্ডা আর গরম গরম খিচুড়ির আসর। জানালার ধারে বৃষ্টির শব্দ, আর রান্নাঘর থেকে ভেসে আসা খিচুড়ি, আলু ভাজা ও বেগুন ভাজার গন্ধ—এটাই তো বর্ষার আসল অনুভূতি। আপনাদের বাড়িতেও কি আজ খিচুড়ি রান্না হয়েছে? খিচুড়ি নাকি অন্য কিছু? চাইলে আপনার বর্ষার দুপুরের খাবারের ছবিও কমেন্টে শেয়ার করুন। সেরা কয়েকটি ছবি আমাদের পেজে তুলে ধরা হবে।

সূর্য আর মেঘের মজার কথোপকথনের মাঝেই ফুটে উঠেছে বাংলার বর্তমান আবহাওয়ার ছবি! কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় চলছে দফায় দফায় বৃষ্টি। কোথাও জল জমেছে, কোথাও যানজট, আবার কোথাও বর্ষার আমেজে স্বস্তি।

আরও পড়ুনঃ সব কিছুর একটা সীমা থাকে; অভিষেককে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

রাতভর মুষলধারে বৃষ্টিতে কার্যত বিপর্যস্ত কলকাতা। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুরু হওয়া প্রবল বর্ষণে শুক্রবার সকালেই শহরের একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। রাস্তার উপর হাঁটুসমান জল জমে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। অফিসযাত্রী, স্কুল-কলেজের পড়ুয়া থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়েছে। স্ট্র্যান্ড রোডে বৃষ্টির দাপটে একটি বড় গাছ উপড়ে পড়ে, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় জল জমে যাওয়ায় পুরসভার পাম্পিং স্টেশনগুলি যুদ্ধকালীন তৎপরতায় জল নামানোর কাজ শুরু করেছে।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, কলকাতায় শুক্রবার প্রায় ৯০ শতাংশ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুধু কলকাতাই নয়, গোটা দক্ষিণবঙ্গেই জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, সোমবার পর্যন্ত বৃষ্টি চলতে পারে।

হাওয়া অফিসের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, পূর্ব বাংলাদেশে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি মৌসুমি অক্ষরেখা বর্তমানে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এই দুই আবহাওয়াগত কারণের প্রভাবেই দক্ষিণবঙ্গে ব্যাপক জলীয় বাষ্প প্রবেশ করছে, যার ফলে কলকাতা-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় দফায় দফায় ভারী বৃষ্টি হচ্ছে।

শুক্রবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। সারাদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ এক নতুন দিগন্তের সূচনা; ভিক্টোরিয়ার কাছে মাটির তলা বেরিয়ে এল ‘দুর্গা’!

দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। অন্যান্য জেলাতেও আগামী কয়েকদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এদিকে, বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে ওঠার আশঙ্কায় শুক্রবার ও শনিবার উপকূলবর্তী এলাকায় মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সমুদ্রে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে, ফলে মাছ ধরতে যাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগের চিত্র একই রকম। আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী কয়েকদিন রাজ্যের অধিকাংশ জেলাতেই বর্ষার দাপট অব্যাহত থাকবে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং জল জমা এলাকায় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন