কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ
মাত্র ২ টাকায় ডিম! জলপাইগুড়ির সরকারি ফার্মে সকাল থেকেই লম্বা লাইন
বাজারে ডিম সাড়ে ৮ টাকা, মোহিতনগরে মিলছে ২, ৪ ও ৬ টাকায়
মাত্র দু’টাকায় একটি ডিম! শুনতে অবাক লাগলেও জলপাইগুড়ির মোহিতনগরে রাজ্য সরকারের পোল্ট্রি ফার্মে এমনই ছবি দেখা যাচ্ছে। কম দামে ডিম কিনতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ফার্মের সামনে ভিড় জমাচ্ছেন বহু মানুষ।
আরও পড়ুনঃ ২১ জুলাইয়ের পরই বিজেপিতে ২০ ‘ভালো তৃণমূল’ বিদ্রোহী সাংসদ?
ভিড় সামলাতে কুপন
ডিম কেনার জন্য লাইন এতটাই দীর্ঘ হচ্ছে যে, হুড়োহুড়ি এড়াতে ক্রেতাদের হাতে কুপন দেওয়া হচ্ছে। কেউ হেঁটে, কেউ সাইকেল বা বাইকে চেপে দূরদূরান্ত থেকে আসছেন। চাহিদা বেশি থাকায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই স্টক শেষ হয়ে যাচ্ছে।
সপ্তাহে এক দিন বিক্রি
এই বিশেষ দামের ডিম শুধুমাত্র বৃহস্পতিবার বিক্রি করা হয়। ফলে যাঁরা ডিম কিনতে পারছেন না, তাঁদের পরের সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ ১৪৪ বছর ‘পাতালে’ ছিলেন জগন্নাথ! কোথায় সেই রহস্যময় গুপ্ত শ্রীক্ষেত্র? ইতিহাসের খোঁজে বিশেষ দল
কেন এত কম দাম?
ফার্মের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী অধিকর্তা প্রদীপকুমার সাহা জানিয়েছেন, সরকারি ভাবে সাধারণ ডিমের দাম ৬ টাকা। মুরগি প্রথম ডিম দেওয়া শুরু করলে ডিমের আকার তুলনামূলক ছোট হয়। সেই ডিম বিক্রি করা হচ্ছে ৪ টাকা দরে।
অন্যদিকে, মুরগির পা বা ঠোঁটের আঘাতে কিংবা ডিম সংগ্রহের সময় যেসব ডিমের খোসা সামান্য ভেঙে যায়, সেগুলি ২ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে।
বছরে প্রায় ১৮০টি ডিম
মোহিতনগরের এই সরকারি ফার্মে মূলত ‘রোড আইল্যান্ড রেড’ জাতের মুরগি প্রতিপালন করা হয়। আধিকারিকদের দাবি, এই প্রজাতির মুরগির রোগ কম হয় এবং বছরে প্রায় ১৭০ থেকে ১৮০টি ডিম দেয়।
ডিসক্লেমার: প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বক্তব্য ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে লেখা। ডিম কেনা ও সংরক্ষণের আগে খোসা এবং গুণমান যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।


