Tuesday, 11 August, 2026
11 August
Homeদক্ষিণবঙ্গDuttapukur: ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণ! দত্তপুকুরের নেশামুক্তি কেন্দ্রে ভয়াবহ অভিযোগ

Duttapukur: ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণ! দত্তপুকুরের নেশামুক্তি কেন্দ্রে ভয়াবহ অভিযোগ

গণধর্ষণের অভিযোগে অন্য কারা জড়িত ছিল এবং পুরো ঘটনার পেছনে আর কারও ভূমিকা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

দত্তপুকুর (উত্তর ২৪ পরগনা):

চিকিৎসার নামে নেশামুক্তি কেন্দ্রে এনে এক তরুণীকে গণধর্ষণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল কেন্দ্রটির কর্ণধার ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর থানার দাড়িপুকুর এলাকার এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী তরুণীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মূল অভিযুক্ত তথা কেন্দ্রের কর্ণধার সন্দীপন মজুমদারকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। সোমবার অভিযুক্তকে বারাসাত আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তাকে ৫ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুনঃ ফিরল স্মৃতি! নজিরবিহীন ‘মেঘভাঙা বৃষ্টিতে’ বিপর্যস্ত তিলোত্তমা

ঘটনার বিবরণ ও গুরুতর অভিযোগ

  • ভর্তির উদ্দেশ্য: শারীরিক ও মানসিক নেশার আসক্তি ছাড়াতে পরিবারের সদস্যরা আশা নিয়ে ওই তরুণীকে দাড়িপুকুরের নির্দিষ্ট নেশামুক্তি কেন্দ্রটিতে ভর্তি করেছিলেন।

  • নির্যাতনের ধরণ: তরুণীর অভিযোগ, নিরাময় বা সঠিক পরিচর্যার পরিবর্তে তাঁকে নিয়মিত কড়া মাত্রার ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে রাখা হতো। এরপর অচৈতন্য অবস্থায় তাঁর ওপর বারবার যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণ চালানো হতো।

  • অন্যান্য আবাসিকদের ওপর অত্যাচার: নির্যাতিতা তরুণী আরও দাবি করেছেন যে, কেবল তিনিই নন, ওই কেন্দ্রে থাকা একাধিক নারী ও পুরুষ আবাসিক দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরণের শারীরিক নিগ্রহ, মানসিক অত্যাচার ও হেনস্তার শিকার হচ্ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ ভয়াবহ পরিস্থিতি; ৭.৪ মাত্রার ভয়ংকর ভূমিকম্প কলম্বিয়ায়

পুলিশি পদক্ষেপ ও আইনি তদন্ত

নির্যাতিতা দত্তপুকুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

১. গ্রেপ্তার ও রিমান্ড: অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত কেন্দ্রপ্রধান সন্দীপন মজুমদারকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং আদালতের নির্দেশে তাকে ৫ দিনের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে। ২. সহযোগীদের চিহ্নিতকরণ: গণধর্ষণের অভিযোগে অন্য কারা জড়িত ছিল এবং পুরো ঘটনার পেছনে আর কারও ভূমিকা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ৩. অন্যান্য অভিযোগের তদন্ত: ওই কেন্দ্রে থাকা অন্যান্য আবাসিকদের সাথে ঘটা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগগুলিও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন