Tuesday, 25 August, 2026
25 August
HomeকলকাতাDurand Cup: যুব ভারতীতে নৌকাডুবি ইস্টবেঙ্গল ঝড়ে তছনছ বাগান

Durand Cup: যুব ভারতীতে নৌকাডুবি ইস্টবেঙ্গল ঝড়ে তছনছ বাগান

রবিবার ডুরান্ড কাপ ফাইনাল দেখতে যাওয়ার আগে অতি বড় ইস্টবেঙ্গল সমর্থকও ভাবতে পারেননি এমন দৃশ্য দেখতে পারবেন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ক্রীড়া প্রতিনিধি, যুবভারতী:

রবিবার ডুরান্ড কাপের হাইভোল্টেজ ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ ব্যবধানে চূর্ণ করে ঐতিহাসিক জয় ছিনিয়ে নিল ইস্টবেঙ্গল। ২২ বছর পর ঐতিহ্যবাহী এই ট্রফি ফিরল লাল-হলুদ তাঁবুতে। প্রথমার্ধেই হ্যাটট্রিক-সহ চার গোল করে ম্যাচের নিষ্পত্তি করে দেয় আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দল। গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের পর এই মহাজয়ে মধুর প্রতিশোধ সম্পূর্ণ করল ইস্টবেঙ্গল।

প্রথম ২০ মিনিটেই লাল-হলুদ ঝড়

ম্যাচের বাঁশি বাজতেই আক্রমণাত্মক মেজাজে নামেন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা। মোহনবাগান রক্ষণের ভঙ্গুর অবস্থার পূর্ণ সুযোগ নিয়ে ২২ মিনিটের মধ্যেই ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় লাল-হলুদ ব্রিগেড। একক দক্ষতায় প্রথমার্ধেই স্বপ্নের হ্যাটট্রিক পূরণ করেন ইস্টবেঙ্গলের তারকা ফরোয়ার্ড এডমুন্ড। দলের পক্ষে অপর গোলটি করেন বিপিন সিং। মাঝে মোহনবাগানের হয়ে মনবীর সিং একক প্রচেষ্টায় একটি গোল শোধ করলেও, প্রথমার্ধেই ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে জয়ের ভিত শক্ত করে ফেলে ইস্টবেঙ্গল।

আরও পড়ুনঃ ভবানীপুর ব্রাহ্মসমাজ গ্রন্থাগার; দক্ষিণ কলকাতার শতবর্ষ প্রাচীন ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী

হাবাসের চাল বনাম সবুজ-মেরুনের ব্যর্থতা

অতীতে মোহনবাগানকে আইএসএল লিগ-শিল্ড এনে দেওয়া কোচ হাবাস এ দিন ইস্টবেঙ্গলের ডাগআউটে বসে মস্তিষ্কের লড়াইয়ে সম্পূর্ণ মাত করেন মোহনবাগান কোচ পানাজিয়োটিস দিমপেরিসকে।

  • ক্লান্তি ও দুর্বল রক্ষণ: সেমিফাইনাল খেলতে শিলং সফর এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার ক্লান্তি অজুহাত হলেও, শুভাশিস বসু ও আলবের্তো রদ্রিগেজের রক্ষণভাগের দৈন্যদশা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ইস্টবেঙ্গলের গতির সামনে দিশেহারা দেখায় তাঁদের। একমাত্র রাহুল ভেকে রক্ষণে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন।

  • মাঝমাঠ ও আক্রমণভাগের ব্যর্থতা: মাঝমাঠে সাহাল সামাদকে বসিয়ে নামানো আপুইয়া ও অনিরুদ্ধ থাপা পুরোপুরি নিষ্প্রভ ছিলেন। ফরোয়ার্ডে জেমি ম্যাকলারেন একাধিক সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন।

  • মাঝমাঠে রশিদের দাপট: ইস্টবেঙ্গলের জয়ের অন্যতম প্রধান কারিগর মাঝমাঠের মহম্মদ রশিদ। দুর্দান্ত বল নিয়ন্ত্রণ ও নিখুঁত পাসে পুরো ম্যাচটি একার পায়ে পরিচালনা করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ সংবাদপত্রের আঙিনায় ৪০ বছরের “নতুন গতি”; লিটল ম্যাগাজিন ও বিকল্প সংবাদমাধ্যমের এক অনন্য ইতিহাস

দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ইস্টবেঙ্গলের জমাট রক্ষণে তা প্রতিহত হয়। শেষ বাঁশি বাজতেই ২২ বছরের ট্রফি খরা কাটিয়ে উল্লাসে মেতে ওঠে হাজার হাজার লাল-হলুদ সমর্থক।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন