শহরের কোলাহল, মেট্রো স্টেশনের ব্যস্ততা আর আধুনিক ক্যাফে-সংস্কৃতির ভিড়েও দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুরের এই গ্রন্থাগার আজও নিজের স্বাতন্ত্র্য ও ঐতিহ্য বজায় রেখে সগর্বে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ তহবিলের ঘাটতি! EPF পেনশন ১০০০/- টাকা থেকে ৭৫০০/- টাকা বাড়ছেনা কেন? অসন্তুষ্ট পেনশেনররা
গ্রন্থাগারটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিকতা
-
জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রবিন্দু: ঊনবিংশ ও বিংশ শতকে দক্ষিণ কলকাতায় যখন একের পর এক শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাহিত্যিকদের আনাগোনা বাড়ছিল, তখন ভবানীপুর গ্রন্থাগার হয়ে উঠেছিল স্থানীয় পঠনপাঠন ও মুক্তচিন্তার অন্যতম পীঠস্থান।
-
সংরক্ষিত অমূল্য সম্পদ: ইন্টারনেট ও ডিজিটাল বইয়ের যুগেও এই গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত রয়েছে বহু পুরনো ও বিরল বই, রেয়ার ফার্স্ট এডিশন, প্রাচীন সাময়িকপত্র এবং বাংলা সাহিত্যের অমূল্য দলিল।
-
সামাজিক মেলবন্ধন: এটি কেবল বই আদান-প্রদানের স্থান নয়, বরং স্থানীয় বয়স্ক মানুষদের আড্ডা, তরুণ গবেষকদের পড়াশোনা এবং পাড়ার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখার এক অন্যতম ঠিকানা।
স্মার্টফোন আর ই-বুকের দাপটে যখন শহরের অনেক পুরনো লাইব্রেরি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, তখন ভবানীপুরের এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানটি আজও বইপ্রেমীদের টান এবং কলকাতার হারিয়ে যেতে বসা ‘লাইব্রেরি কালচার’-কে বাঁচিয়ে রেখেছে।


