গ্রামের বেহাল রাস্তা মেরামত ও পুনর্নির্মাণ নিয়ে কড়া অবস্থান গ্রহণ করেছে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর। অতিবৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে গ্রামীণ সড়ক পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ক্ষোভ নিরসনে বিশেষ সচিব নির্দেশিকা জারি করেছেন। গাফিলতি রুখতে দফতর ও ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা ধার্য করা হয়েছে।
নির্দেশিকার মূল নির্দেশসমূহ
-
কাজের নির্দিষ্ট সময়সীমা: ‘পথশ্রী’ ও স্টেট ফান্ডের অধীন সমস্ত চলতি কাজ আগামী ৬০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে রাজ্যের সমস্ত গ্রামীণ রাস্তা সম্পূর্ণ গর্তমুক্ত ও চলাচলের জন্য নিরাপদ করতে হবে।
-
কাজের শ্রেণিবিন্যাস: দ্রুত ব্যবস্থা নিতে প্রকৌশলীদের অবিলম্বে এলাকা পরিদর্শন করে রাস্তাগুলিকে দুটি ভাগে ভাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—১) সামান্য মেরামত বা গর্ত ভরাট যোগ্য রাস্তা এবং ২) বড় ধরনের মেরামতের প্রয়োজন থাকা রাস্তা।
-
দণ্ডমূলক ব্যবস্থা ও কালো তালিকাভুক্তকরণ: কাজ পূরণে ব্যর্থ বা গাফিলতি করা ঠিকাদার সংস্থাগুলিকে কালো তালিকাভুক্ত (Blacklist) করা হবে। পাশাপাশি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী বা কর্মকর্তাদের শোকজ (Show Cause) নোটিশ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হবে।
আরও পড়ুনঃ উৎসবের মুখে জোড়া দুশ্চিন্তা; এইমসে ভর্তি বিমান বসু, আলিপুরের হাসপাতালে মীরা ভট্টাচার্য
অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট (ATR) জমা
-
জবাবদিহির বাধ্যবাধকতা: শুধু চিঠি বা নির্দেশ জারি করে দায় এড়ানো যাবে না। সংস্থাসমূহের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিটি প্রকল্প বাস্তবায়ন ইউনিটকে (PIU) একটি ‘অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট’ (ATR) জমা দিতে বলা হয়েছে।
স্বাস্থ্যকেন্দ্র, বিদ্যালয় ও স্থানীয় বাজারে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম এই গ্রামীণ সড়ক ব্যবস্থা সচল রাখা প্রশাসনিক স্তরে ‘সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’ এবং ‘অতি জরুরি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।


