সোশ্যাল মিডিয়ার ডাক থেকে বাস্তবের রাজপথে আছড়ে পড়ল সংরক্ষণবিরোধী আন্দোলন। শুক্রবার দিল্লির যন্তর মন্তর চত্বর ফের রণক্ষেত্রের রূপ নেয়। ‘রিজার্ভেশন হটাও আন্দোলন’-এর ব্যানারে জাতভিত্তিক সংরক্ষণের পরিবর্তে অর্থনৈতিক মাপকাঠিতে সুবিধার দাবিতে হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী একাধিক আন্দোলনকারীকে আটক করে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও পুলিশের পদক্ষেপ
-
শর্ত লঙ্ঘন ও পুলিশি আটক: দিল্লি পুলিশ রামলীলা ময়দানে বিকেল ৪টে পর্যন্ত সর্বাধিক ৫০০ জনের জন্য ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ (NOC) দিয়েছিল। তবে বিক্ষোভকারীরা সেই অনুমতি উপেক্ষা করে সরাসরি নিষিদ্ধ এলাকা যন্তর মন্তরে জমায়েত হলে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে পথ আটকায় এবং প্রিভেন্টিভ ডিটেনশন শুরু করে।
-
দাবি ও প্রতিবাদ: ব্যানার ও পতাকা হাতে আন্দোলনকারীদের মূল দাবি ছিল—সরকারি চাকরি, শিক্ষা ও অন্যান্য সহায়তায় জাতের পরিচয় নয়, পরিবারের আর্থিক অবস্থাকেই একমাত্র মাপকাঠি করা হোক।
আরও পড়ুনঃ উৎসবের মুখে জোড়া দুশ্চিন্তা; এইমসে ভর্তি বিমান বসু, আলিপুরের হাসপাতালে মীরা ভট্টাচার্য
সোশ্যাল মিডিয়া ও ভার্চুয়াল মোবিলাইজেশন
-
ইনস্টাগ্রাম থেকে রাজপথ: আন্দোলনটির সূত্রপাত ‘রিজার্ভেশন হটাও আন্দোলন’ নামক একটি ইনস্টাগ্রাম পেজ থেকে, যার অনুগামী (Followers) সংখ্যা প্রায় ৫৬ লক্ষ।
-
নতুন ধারার রাজনীতি: সিজেপি (CJP) সমর্থিত আন্দোলনের পর আবারও দেখা গেল কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে হাতিয়ার করে ডিজিটাল দুনিয়ার ডাক নিমেষে রাজপথের উত্তপ্ত রাজনীতিতে পরিণত হচ্ছে।
যন্তর মন্তরে জমায়েত ঘিরে এই প্রশাসনিক টানা পোড়েন এবং সামাজিক মাধ্যমের প্রভাব আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি করেছে।


