বিশেষ প্রতিনিধি:
রাজধানী দিল্লিতে শুক্রবার চরম নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। লোকসভার বিরোধী দলনেতা দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার বাইরে ধর্নায় বসেন। ২০ জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনের সময় র্যাফের (RAF) চালানো ছররা গুলিতে আহত ১৯ বছর বয়সী যুবক সাহিল লোচাবকে সঙ্গে নিয়ে থানায় এফআইআর দায়েরের দাবি জানান তিনি।
আরও পড়ুনঃ হামলার মুখে সিজেপি; বিজেপির বিরুদ্ধে তোলপাড় ফেলা অভিযোগ
ঘটনার মূল বিবরণ ও আইনি টানাপোড়েন
- অভিযোগ ও এফআইআর-এর দাবি: গত ২০ জুলাই জন্তর মন্তরে ছাত্র বিক্ষোভের সময় নিরাপত্তারক্ষীরা ছররা গুলি বা প্যালেট গান ব্যবহার করেছিল বলে অভিযোগ । ওই ঘটনায় সাহিল মারাত্মকভাবে জখম হন। অভিযোগ তোলেন, ১৪ অগস্ট লিখিত অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও পুলিশ এফআইআর বা তদন্তকারী আধিকারিকের (I/O) নম্বর দেয়নি ।
- দিল্লি পুলিশের বক্তব্য: পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে এবং বিষয়টি ইতোমধ্যেই তদন্তাধীন। তবে নতুন করে পৃথক এফআইআর না নেওয়ায় প্রতিবাদ বাড়তে থাকে।
- রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া: বার্তা দেন যে নির্দোষ পড়ুয়াদের ওপর ছররা গুলি চালানোর নির্দেশ কে দিয়েছিল, তা জনসমক্ষে প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এবং এফআইআর না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের এই আন্দোলন চলবে।
আরও পড়ুনঃ ‘একবার SFI অফিস ভেঙেছিলাম, আবার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করব,’ JU ইস্যুতে হুঁশিয়ারি দিলীপের
পরবর্তীকালে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা, জয়রাম রমেশ এবং অন্যান্য শীর্ষ কংগ্রেস নেতারাও থানায় পৌঁছে ধর্নায় শামিল হন, যার ফলে থানা চত্বরে র্যাফ ও অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়।


