Monday, 7 September, 2026
7 September
HomeদেশISRO: মুখ খুলল ‘ইন-স্পেস’; ইসরোর বেসরকারিকরণের জল্পনায় জল

ISRO: মুখ খুলল ‘ইন-স্পেস’; ইসরোর বেসরকারিকরণের জল্পনায় জল

২০৩০ সালের মধ্যে বছরে ৫০টি মহাকাশ উৎক্ষেপণের লক্ষ্যপূরণে বেসরকারি শিল্প ও ইসরোর এই যৌথ মডেল অপরিহার্য।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ সংবাদ প্রতিনিধি, নতুন দিল্লি:

ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে বেসরকারি বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি পেলেও ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন বা ইসরো (ISRO)-কে বেসরকারিকরণ করার কোনো পরিকল্পনা নেই কেন্দ্র সরকারের। একই সঙ্গে দেশের মূল মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তির অগ্রগতিতে ইসরোর ভূমিকা কোনোভাবেই কমানো হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিল মহাকাশ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘ইন-স্পেস’ (IN-SPACe)। পিএসএলভি বা এলভিএম৩-র মতো প্রধান রকেটের বাণিজ্যিক দায়িত্ব হস্তান্তরের জল্পনায় কর্মীদের তৈরি হওয়া উদ্বেগ নিরসনে এই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  একটু পরেই অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ১৫০০ টাকা; ভাতা দেবে সরকার?

‘ইন-স্পেস’ সভাপতি ও ইসরোর স্পষ্ট বার্তা

রবিবার এক বিশেষ বিবৃতিতে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল স্পেস প্রোমোশন অ্যান্ড অথরাইজেশন সেন্টারের (IN-SPACe) চেয়ারম্যান পবন গোয়েঙ্কা জানান— সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদন ইসরোর ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করেছিল, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

  • ইসরো থাকবে মূল কেন্দ্রে: ভারতীয় মহাকাশ ব্যবস্থার মূল ভিত্তি বা মেরুদণ্ড হিসেবে ইসরোই কাজ করবে।

  • বেসরকারি খাতের কাজ: নিউস্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেড (NSIL)-এর মাধ্যমে ইসরোর পরিণত ও প্রতিষ্ঠিত প্রযুক্তিগুলি (যেমন—রকেট উৎপাদন, উপগ্রহ নির্মাণ) বেসরকারি শিল্পের হাতে তুলে দেওয়া হবে, যাতে বিপুল পরিমাণে বাণিজ্যিকভাবে এগুলি তৈরি করা যায়।

  • প্রযুক্তি হস্তান্তর মানেই সরে যাওয়া নয়: প্রমাণিত প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের প্রভাব বাড়বে এবং ইসরো জটিল গবেষণায় বেশি সময় দিতে পারবে।

ভবিষ্যতের জটিল মিশন ও গবেষণায় ইসরোর ফোকাস

প্রচলিত প্রযুক্তির বাণিজ্যিক উৎপাদনের দায়িত্ব বেসরকারি খাতের ওপর ছেড়ে দিয়ে ইসরো নিজস্ব নজর রাখবে সীমান্ত-ছোঁয়া প্রযুক্তির ওপর:

ক্ষেত্র ইসরোর ভবিষ্যৎ বড় লক্ষ্য ও প্রকল্প
মহাকাশ স্টেশন ও চাঁদ মিশন ২০৩৫ সালের মধ্যে ‘ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন’ স্থাপন এবং ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে ভারতীয় মহাকাশচারী পাঠানোর মূল লক্ষ্য।
গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) মানব মহাকাশযাত্রা (গগনযান), পরবর্তী প্রজন্মের উন্নত লঞ্চ সিস্টেম, গভীর মহাকাশ অভিযান এবং গ্রহ অনুসন্ধানের মতো জটিল কর্মসূচি।
২০৩০-এর লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০ সালের মধ্যে বছরে ৫০টি মহাকাশ উৎক্ষেপণের লক্ষ্যপূরণে বেসরকারি শিল্প ও ইসরোর এই যৌথ মডেল অপরিহার্য।

আরও পড়ুনঃ  বৃষ্টি বলয় “ইন্দ্র”-এর প্রভাব! কলকাতা সহ সমগ্র দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে মুহুর্মুহু প্রবল বজ্রপাতের আশঙ্কা

কেন তৈরি হয়েছিল কর্মী ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তা?

গত ৪ সেপ্টেম্বর ইসরোর নয়টি কর্মী সংগঠন সংস্থার চেয়ারম্যান ভি নারায়ণনকে চিঠি দিয়ে স্পষ্টীকরণ দাবি করে:

  • রকেট উৎপাদন ও ডিজাইন: ২১ আগস্ট পবন গোয়েঙ্কার একটি বক্তব্যের পর পিএসএলভি (PSLV), এলভিএম৩ (LVM3) এবং এসএসএলভি (SSLV)-র ডিজাইন, টেস্টিং ও লঞ্চিং ব্যবস্থা ইসরোর হাতছাড়া হচ্ছে কি না, তা নিয়ে কর্মীরা প্রশ্ন তোলেন।

  • মানবসম্পদ কাঠামো: খালি পদ পূরণ, পদ অনুমোদন এবং কর্মীসংখ্যার ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বচ্ছতা চায় কর্মী সংগঠনগুলি।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্দেশ্য ইসরোকে সংকুচিত করা নয়; বরং ভারতের সামগ্রিক মহাকাশ ইকোসিস্টেমকে বড় করে তোলা, যেখানে বাণিজ্যিক কাজের বোঝা হাল্কা করে ইসরোকে বিশ্বমানের গবেষণায় সর্বাগ্রে রাখা হবে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন