Saturday, 5 September, 2026
5 September
HomeদেশPower Crisis: কয়লার ভাঁড়ার তলানিতে! উৎসবের মরশুমে দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকটের আশঙ্কা

Power Crisis: কয়লার ভাঁড়ার তলানিতে! উৎসবের মরশুমে দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকটের আশঙ্কা

৪৫টি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে মাত্র ৩ থেকে ১০ দিনের চলার মতো জ্বালানি অবশিষ্ট আছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ সংবাদ প্রতিনিধি:

আসন্ন উৎসবের মরশুমের ঠিক মুখেই দেশে তৈরি হয়েছে চরম বিদ্যুৎ সংকটের মেঘ। অতিবৃষ্টি এবং কয়লা খনি এলাকাগুলিতে লাগাতার দুর্যোগের কারণে দেশের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে জ্বালানির জোগানে তীব্র টান পড়েছে। কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রক সূত্রে খবর, দেশের ৪৫টি প্রধান তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রয়োজনের তুলনায় ২৫ শতাংশেরও কম কয়লা মজুত রয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই আশঙ্কাজনক যে, বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে আর মাত্র ৩ দিনের মতো কয়লা বাকি রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  উৎসবের মুখে রাজ্যজুড়ে খাদ্য সুরক্ষা বিভাগের বড়সড় অভিযান; ১৭টি সিল ও বহু লাইসেন্স বাতিল

কয়লা ঘাটতির চিত্র ও পরিসংখ্যান

জুলাই মাসের তুলনায় আগস্টের শেষে এসে সংকট মারাত্মক রূপ নিয়েছে:

  • আক্রান্ত বিদ্যুৎকেন্দ্র: জুলাইয়ের শেষে দেশে ঘাটতিতে থাকা বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৩১। আগস্টের শেষে তা লাফিয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫টিতে

  • মজুতের অবস্থা: এই ৪৫টি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে মাত্র ৩ থেকে ১০ দিনের চলার মতো জ্বালানি অবশিষ্ট আছে। সার্বিকভাবে জুলাইয়ের তুলনায় আগস্টের শেষে গড় কয়লা মজুত প্রায় ২০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে

  • জ্বালানির উৎস: এই সংকটগ্রস্ত ৪৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪০টি কেন্দ্র দেশীয় কয়লার ওপর এবং ৫টি কেন্দ্র আমদানি করা কয়লার ওপর নির্ভরশীল।

আরও পড়ুনঃ  ৩ হাজার ড্রোনের আলোয় ‘দুর্গাপুজোর গল্প’; বিশ্বের বাঙালিকে জুড়তে বিরাট পরিকল্পনা রাজ্যের

সংকটের জোড়া কারণ: অতিবৃষ্টি ও জলবিদ্যুতের ঘাটতি

বিদ্যুৎ মন্ত্রকের পর্যালোচনায় সংকটের দুটি মূল কারণ সামনে এসেছে:

সংকটের ক্ষেত্র মূল কারণ ও প্রভাব
কয়লা সরবরাহে বাধা ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড এবং ছত্তীসগঢ়ের খনি অঞ্চলগুলিতে অতিবৃষ্টির কারণে জল জমে কয়লা উত্তোলন ও তা ট্রেনে করে বিদ্যুৎকেন্দ্রে পাঠানোর পরিবহণ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
জলবিদ্যুতের অপর্যাপ্ত জোগান বর্ষার মৌসুমে সাধারণ জলবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়ে চাপ সামাল দেওয়া গেলেও, এ বছর আগস্টে গড়ে ১২ শতাংশ কম বৃষ্টি হওয়ায় জলাধারগুলিতে প্রত্যাশিত জল পাওয়া যায়নি। ফলে জলবিদ্যুৎ থেকেও বাড়তি সহায়তা মেলেনি।

পরিস্থিতি সামাল দিতে বিদ্যুৎ মন্ত্রকের জরুরি নির্দেশিকা

বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখতে এবং অচলাবস্থা এড়াতে বিদ্যুৎ মন্ত্রক কড়া নির্দেশ জারি করেছে:

  • ইউনিট বন্ধ রাখা নিষেধ: অত্যন্ত জরুরি নিরাপত্তাজনিত কারণ ছাড়া কোনো তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ইউনিট আপাতত রক্ষণাবেক্ষণের (Maintenance) নাম করে বন্ধ রাখা যাবে না।

  • উৎপাদন হ্রাসে নিষেধাজ্ঞা: রুটিন মেনট্যানেন্সের অজুহাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমানোর ওপর স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

উৎসবের সময় সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা শিখরে পৌঁছায়। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত কয়লা জোগান স্বাভাবিক না হলে একাধিক রাজ্যে লোডশেডিং বা বিদ্যুৎ ছাঁটাইয়ের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন