বিশেষ সংবাদ প্রতিনিধি:
দেশের সাধারণ মানুষ ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলির দৈনন্দিন বাজারের আর্থিক চাপ কমাতে এক ঐতিহাসিক উদ্যোগ নিল কেন্দ্রীয় সরকার ও রেশন ডিলারদের সর্বভারতীয় সংগঠন। চাল ও গমের মতো ঐতিহ্যবাহী খাদ্যশস্য বিতরণের পাশাপাশি এবার থেকে দেশের রেশন দোকানগুলিতে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীও ন্যায্য মূল্যে পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে দেশের রেশন দোকানগুলিকে আধুনিক ‘ন্যায্য মূল্যের বিক্রয়কেন্দ্র’ (Fair Price Outlets) হিসেবে অনুমোদন প্রদান করা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ ‘শ্রদ্ধেয় বিমানদা, সুস্থ থাকুন!’ বিমান বসুকে চিরকুট বার্তা মমতার
ন্যাফেড ও রেশন ডিলার ফেডারেশনের চুক্তি
এই নতুন ব্যবস্থা সফলভাবে বাস্তবায়নে ভারতীয় জাতীয় কৃষি সমবায় বিপণন সংস্থা (NAFED) এবং সর্বভারতীয় ন্যায্য মূল্যের রেশন দোকান মালিক ফেডারেশনের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে:
-
পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা: এনএএফইডি (NAFED)-এর মাধ্যমে সরাসরি রেশন দোকানগুলিতে প্রয়োজনীয় মানসম্পন্ন সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে।
-
বৃহৎ নেটওয়ার্ক: অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু জানিয়েছেন, দেশের প্রায় ৫ লক্ষ ৩৮ হাজার ৩৫১ জন রেশন দোকানদারের মাধ্যমে এই বৃহৎ সংযোগের কাজ সম্পন্ন হবে।
আরও পড়ুনঃ মহিলা যাত্রী তুলতে অনীহা-হেনস্তা! অভিযোগ শুনতে চালু হেল্পলাইন
সাধারণ মানুষ ও গ্রামীণ অর্থনীতির সম্ভাব্য সুফল
রেশন ব্যবস্থার এই বহুমুখী রূপান্তরের ফলে গ্রামীণ ও শহরতলির ক্রেতারা একাধিক সুবিধা পাবেন:
| ক্ষেত্র | সম্ভাব্য ইতিবাচক প্রভাব |
| দৈনন্দিন বাজার দর নিয়ন্ত্রণ | খোলা বাজারের চড়া দামের হাত থেকে রেহাই পেয়ে সাধারণ মানুষ সঠিক ও সাশ্রয়ী দামে প্রয়োজনীয় গৃহস্থালি সামগ্রী কিনতে পারবেন। |
| দূরত্ব ও যাতায়াত সমস্যা দূর | প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকার মানুষদের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে আর দূরবর্তী বড় বাজারে ছুটতে হবে না; হাতের কাছেই মিলবে সামগ্রী। |
| দোকানদারদের আয় বৃদ্ধি | কেবল চাল-গম বিতরণের কমিশনের ওপর নির্ভর না থেকে নতুন পণ্য বিক্রির সুযোগ পাওয়ায় ৫ লক্ষাধিক রেশন দোকানদারের আর্থিক স্থায়িত্ব বাড়বে। |


