Saturday, 26 September, 2026
26 September
HomeদেশVinod Kambli: ভাবা যায়; সচিনের বন্ধু, ভারতীয় দলের তারকা বিনোদ কাম্বলির শেষমেশ...

Vinod Kambli: ভাবা যায়; সচিনের বন্ধু, ভারতীয় দলের তারকা বিনোদ কাম্বলির শেষমেশ ঠাঁই হল বৃদ্ধাশ্রমে!

বিনোদ কাম্বলি ও শচীন তেন্ডুলকরের ১৯৮৮ সালে স্কুলের শারদাশ্রম বিদ্যা মন্দির দলের হয়ে করা ঐতিহাসিক ৬৬৪ রানের পার্টনারশিপ আজও ক্রিকেট ইতিহাসে স্মরণীয়।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

একসময়ের ভারতীয় ক্রিকেট আকাশের অন্যতম জ্বলজ্বলে তারা, শচীন তেন্ডুলকরের বাল্যবন্ধু ও কিংবদন্তি বাঁ-হাতি ব্যাটার বিনোদ কাম্বলি ফের চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহারাষ্ট্রের ঠাণের ‘নিদান সেন্টার ফর এल्डरলি কেয়ার’ (Nidan Centre for Elderly Care) নামক একটি বৃদ্ধাশ্রম ও বয়স্ক যত্ন কেন্দ্র থেকে তাঁর একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

এক সময়ের মারকুটে এই ব্যাটসম্যানের এমন করুণ পরিস্থিতি দেখে অনুরাগীদের চোখ ভিজে উঠলেও, কাম্বলি নিজে ভিডিওটিতে ইতিবাচক বার্তাই দিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  “তাহলে সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধের সংগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই বামপন্থীদের চলতে হবে?” ফেসবুকে বামেদের অন্দরে প্রশ্ন তুলে দিলেন আর এস পি-র সর্বভারতীয় নেতা অশোক ঘোষ

সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট ও বিনোদ কাম্বলির বক্তব্য

ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে ৫৪ বছর বয়সী কাম্বলি সরাসরি ক্যামেরার মুখোমুখি হয়ে কথা বলেছেন। তিনি জানান, তিনি বর্তমানে ঠাণের উক্ত বৃদ্ধাশ্রমে রয়েছেন এবং সেখানকার পরিষেবা ও মানুষের ভালোবাসায় তিনি অভিভূত।

  • সুযোগ-সুবিধার প্রশংসা: কাম্বলি বলেন, “আমি এখন ‘নিদান’-এ আছি। এখানকার পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবস্থা একদম ফার্স্ট ক্লাস। এখানে আসার পর আমার কখনোই মনে হয়নি যে আমি নিজের বাড়ির বাইরে আছি।”

  • ভালোবাসা ও সম্মান: তিনি আরও জানান যে কেন্দ্রটির কর্মী ও বাসিন্দাদের কাছ থেকে তিনি প্রচুর ভালোবাসা ও সম্মান পাচ্ছেন, যা তাঁকে মানসিক স্বস্তি দিচ্ছে।

শারীরিক জটিলতা ও আর্থিক অনটন

গত কয়েক বছর ধরেই বিভিন্ন শারীরিক ও পারিবারিক সমস্যায় ভুগছেন ভারতের এই প্রাক্তন তারকা।

ঘটনার সময়কাল শারীরিক স্থিতি ও ঘটনাপ্রবাহ
২০১৩ গুরুতর হৃদরোগে (Heart Attack) আক্রান্ত হওয়া।
ডিসেম্বর ২০২৪ লো ব্লাড প্রেসার, ইউরিনারি ইনফেকশন এবং পুরনো স্ট্রোকের কারণে মস্তিষ্কে জমাট বাঁধা রক্তের (Brain Clots) চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি।
সাম্প্রতিক পরিস্থিতি চলাফেরায় গুরুতর সমস্যা। সহায়তাকারীদের সাহায্য ছাড়া হেঁটে চলাফেরা করতে না পারা।

দীর্ঘদিন ধরেই তিনি ও তাঁর পরিবার আর্থিক টানাটানির মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। সুনীল গাভাস্করের ‘চ্যাম্পস ফাউন্ডেশন’ এবং ক্রিকেট বোর্ডের অনুদানের পাশাপাশি শচীন তেন্ডুলকরও বিভিন্ন সময় তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন বলে জানা যায়।

আরও পড়ুনঃ বেনজির বন্ধুত্ব! ইতিহাস পিছনে রেখে সিপিএমের সঙ্গে কথা মমতার

এক ঝলকে ক্রিকেট ক্যারিয়ার

বিনোদ কাম্বলি ও শচীন তেন্ডুলকরের ১৯৮৮ সালে স্কুলের শারদাশ্রম বিদ্যা মন্দির দলের হয়ে করা ঐতিহাসিক ৬৬৪ রানের পার্টনারশিপ আজও ক্রিকেট ইতিহাসে স্মরণীয়। ১৯৯০-এর দশকে ভারতীয় দলে অভিষেকের পর একের পর এক ট্রিপল ও ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ক্রিকেটবিশ্বকে চমকে দিয়েছিলেন তিনি।

  • টেস্ট ক্যারিয়ার: ১৭টি টেস্টে ৫৪.২০ গড়ে ১,০৮৪ রান (৪টি শতক)।

  • একদিনের আন্তর্জাতিক (ODI): ১০৪টি ওডিআই ম্যাচে ২,৪৭৭ রান।

একসময়ের প্রতিভাবান এই ক্রিকেটারকে বৃদ্ধাশ্রম বা কেয়ার সেন্টারে দেখে শচীন-ভক্তসহ সমগ্র ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমী মহল আজ ব্যথিত ও চিন্তিত, যদিও কাম্বলির বার্তার মাধ্যমে তারা কিছুটা আশ্বস্ত হতে চাইছেন।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন