Saturday, 10 October, 2026
10 October
HomeদেশCJP Protest: 'বিক্ষোভ হতে দেবেন না...', CJP Protest নিয়ে রাজ্যগুলিকে চিঠি কেন্দ্রের

CJP Protest: ‘বিক্ষোভ হতে দেবেন না…’, CJP Protest নিয়ে রাজ্যগুলিকে চিঠি কেন্দ্রের

আজ শনিবারের এই আন্দোলন ঘিরে দেশজুড়ে প্রশাসনিক চাপানউতোর চরমে পৌঁছেছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ জাতীয় প্রতিনিধি:

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে ১০ই অক্টোবর, শনিবার ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রস্তাবিত বিক্ষোভ কর্মসূচির অনুমতি পুরোপুরি খারিজ করে দিল দিল্লি পুলিশ। শুধু জাতীয় রাজধানীই নয়, এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে যাতে দেশের অন্যত্র কোনো আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে শুক্রবারই সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পুলিশপ্রধানদের (DGP) কড়া নির্দেশিকা পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

আরও পড়ুনঃ “এ কোন দেশে বাস করছি?” আদালতে কাপিল সিব্বলের তীব্র সওয়াল

কেন খারিজ হলো সিজেপি-র যন্তর-মন্তরের অনুমতি?

দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ১০ই অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে দিনভর যন্তর-মন্তরে এই বিক্ষোভের পরিকল্পনা করেছিল সিজেপি। তবে পুলিশ এই অনুমতি না দেওয়ার পেছনে মূলত দুটি বড় কারণ দেখিয়েছে:

  • নিয়ম লঙ্ঘন: দিল্লি পুলিশের নির্দেশিকা অনুযায়ী, যন্তর-মন্তরে যেকোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক কর্মসূচির অনুমতির জন্য অন্তত ১০ দিন আগে আবেদন করতে হয়। সিজেপি সেই নির্দিষ্ট নিয়ম বা সময়সীমা মানেনি।

  • যানজট ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি: নয়াদিল্লি এলাকায় একাধিক কর্মসূচি ও বিশাল জমায়েতের কারণে রাজধানীর তীব্র যানজট, নিরাপত্তা এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ভোটারের সংখ্যা ৭৭২ জন, আর ভোট পড়েছে ৯০৯! “এরা ছাপ্পাও মারতে পারে না ঠিক মতো”; মমতার তোপ শুভেন্দুকে

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিবের দেশজোড়া নির্দেশিকা

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন শুক্রবার দেশের সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ডিজিপি-দের কাছে পাঠানো বিশেষ চিঠিতে একাধিক কড়া পদক্ষেপের কথা বলেছেন:

প্রশাসনিক দিক কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশ
সমন্বয় ও যোগাযোগ দিল্লি পুলিশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে সমস্ত রাজ্যকে একযোগে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সীমান্ত ও যাতায়াতে নজরদারি আন্দোলনকারীরা যাতে অন্য রাজ্য থেকে ট্রেনে বা অন্য পথে দিল্লিতে ঢুকতে না পারেন, তার জন্য সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির গোয়েন্দা সংস্থা ও নজরদারি টিমকে সক্রিয় করা হয়েছে।
আগাম প্রতিরোধ কোনো রকম অপ্রীতিকর বা হিংসাত্মক পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আগেই যাতে স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেটিতে জোর দেওয়া হয়েছে।

দিল্লি পুলিশের অনুমতি না মেলা এবং কেন্দ্র ও সুপ্রিম কোর্টের পরস্পরবিরোধী অবস্থানের মাঝে শনিবারের এই আন্দোলন ঘিরে দেশজুড়ে প্রশাসনিক চাপানউতোর চরমে পৌঁছেছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন