Monday, 12 October, 2026
12 October
Homeদক্ষিণবঙ্গDurgapur: যৌনসুখ মেটাতে পুরুষাঙ্গে খোলা সেফটিপিন ও হেয়ার ক্লিপ! দুর্গাপুরে চিকিৎসকদের সফল...

Durgapur: যৌনসুখ মেটাতে পুরুষাঙ্গে খোলা সেফটিপিন ও হেয়ার ক্লিপ! দুর্গাপুরে চিকিৎসকদের সফল অপারেশন

চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো হাসপাতালে না আনলে রোগীর মূত্রনালি স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার পাশাপাশি সেফটিপিনের খোঁচায় জীবনসংশয় হতে পারত।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ স্বাস্থ্য প্রতিনিধি, দুর্গাপুর:

যৌনতৃপ্তি লাভের এক অদ্ভুত ও বিপজ্জনক মানসিক অবসেশনের জেরে চরম বিপদের মুখে পড়েছিলেন এক ব্যক্তি। পুরুষাঙ্গের অভ্যন্তরে খোলা সেফটিপিন এবং হেয়ার ক্লিপ ঢুকিয়ে ফেলায় তা মূত্রনালির ভেতর আটকে যায়। শেষ পর্যন্ত দুর্গাপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালের অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের দল বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে অত্যন্ত জটিল অস্ত্রোপচার করে সেই বস্তুগুলি সফলভাবে বের করে আনেন। চিকিৎসকদের সময়োচিত পদক্ষেপে বড়সড় মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন ওই রোগী।

আরও পড়ুনঃ  ‘হিন্দু দোকান থেকে বিরিয়ানি খান’ শিলিগুড়ি শহরে পড়ল ‘হিন্দু জাগরণ মঞ্চের’ পোস্টার

ঘটনার বিবরণ ও জটিলতা

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত ব্যক্তির নাম বিষ্ণু কেডিয়া (৪৭)। বাড়ি আসানসোলের দুর্গামন্দির এলাকায়। প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, ওই ব্যক্তি কিছুটা মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। সম্প্রতি যৌনতৃপ্তির উদ্দেশ্যে তিনি নিজের পুরুষাঙ্গের ভেতরে একটি হেয়ার ক্লিপ এবং একটি খোলা সেফটিপিন প্রবেশ করিয়েছিলেন। এর পরেই সেগুলি ভেতরে আটকে যায়।

অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ায় তাঁকে দ্রুত দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আরও পড়ুনঃ ফ্রি-তে ২টো LPG সিলিন্ডার; উৎসবের মরশুমে বিরাট ঘোষণা রাজ্য সরকারের

চিকিৎসকের বক্তব্য ও অস্ত্রোপচার

এই অত্যন্ত জটিল কেসটি সফলভাবে পরিচালনা করেন দুর্গাপুরের বিশিষ্ট ইউরোলজিস্ট ডা. পার্থসারথি চন্দ। তাঁর টিম দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর বিশেষ অস্ত্রোপচার পদ্ধতি ও যন্ত্রের মাধ্যমে ওই বস্তুগুলি বাইরে বের করেন।

ডা. পার্থসারথি চন্দ জানান, “পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক ছিল। পুরুষাঙ্গের ভেতরে প্রায় ৩০ মিলিমিটার অংশ জুড়ে একটি হেয়ার ক্লিপ এবং তার ঠিক পেছনেই একটি খোলা সেফটিপিন বিপজ্জনকভাবে আটকে ছিল। খোলা সেফটিপিনটি বের করার সময় মূত্রনালির দেওয়াল কেটে যাওয়ার বা মারাত্মক অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের ঝুঁকি ছিল। এর আগেও তিনি এমন কিছু কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন বলে জানা যায়। তবে এবার পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল থাকলেও আমাদের টিম সফলভাবে সেগুলি বের করতে সক্ষম হয়েছে। রোগী বর্তমানে বিপদমুক্ত ও সুস্থ রয়েছেন।”

মানসিক ভারসাম্যহীনতার জেরে এমন অস্বাভাবিক এবং মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকাণ্ডের ঘটনায় চিকিৎসক মহলও বিস্মিত। চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো হাসপাতালে না আনলে রোগীর মূত্রনালি স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার পাশাপাশি সেফটিপিনের খোঁচায় জীবনসংশয় হতে পারত।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন