Monday, 12 October, 2026
12 October
Homeআন্তর্জাতিক নিউজDhaka: ষড়যন্ত্রের শঙ্কা! ঢাকায় ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনে ইসলামপন্থীরা বাঁধছে জোট

Dhaka: ষড়যন্ত্রের শঙ্কা! ঢাকায় ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনে ইসলামপন্থীরা বাঁধছে জোট

দিল্লি এই ঘটনার ওপর অত্যন্ত কড়া নজর রাখছে বলেই সাউথ ব্লক সূত্রে খবর।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক প্রতিনিধি, নতুন দিল্লি / ঢাকা:

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) সমর্থনে এবার প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতে অনুষ্ঠিত হলো নজিরবিহীন রাজনৈতিক সমাবেশ। শনিবার রাতে ঢাকার শাহবাগ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় কয়েকটি বামপন্থী ও ইসলামপন্থী সংগঠন যৌথভাবে এই বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে। ভারতের নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করে দিল্লি থেকে আটক ককরোচ নেতাদের অভিলম্ব মুক্তির দাবি জানানো হয় এই মঞ্চ থেকে।

ভারতের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক প্রতিবাদের সূত্রে ওপার বাংলায় এমন প্রকাশ্য সংহতি সমাবেশ আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও ভূ-রাজনৈতিক মহলে এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ককরোচদের বিদেশি-যোগ আরও স্পষ্ট! দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলনকে জোরাল সমর্থন বাংলাদেশের হাসিনা-বিরোধী ছাত্রনেতা নাহিদ ইসলামের

ঢাকার সমাবেশে কাদের উপস্থিতি ও কী দাবি?

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ককরোচ জনতা পার্টির এই আন্তর্জাতিক ডালপালার বিস্তারে সায় দিয়ে ঢাকা রাজপথে নামে বেশ কিছু সংগঠন:

  • ইসলামী ও বাম জোটের উপস্থিতি: বাংলাদেশের ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি এবং একাধিক ইসলামিক সংগঠন একজোট হয়ে ভারতের সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর কড়া সমালোচনা করে।

  • দিল্লির আটকের নিন্দা: গত ১০ অক্টোবর দিল্লিতে সিজেপির বিক্ষোভ মিছিল ঘিরে দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, কো-কনভেনর সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা এবং জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ধ্রুব রাঠীকে আটক করার ঘটনার কঠোর নিন্দা জানায় তারা।

  • শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার: ঢাকা সমাবেশ থেকে দাবি তোলা হয়, ভারতে গণতান্ত্রিক অধিকার এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশের পরিবেশ রক্ষায় নির্বাচন কমিশন ও মোদী সরকারকে জবাবদিহি করতে হবে।

অনুপ্রবেশকারী ও ভোটার তালিকা সংশোধন: নেপথ্যে গভীর সমীকরণ?

ভারতের নির্বাচন কমিশন সম্প্রতি যে নিবিড় বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়া (SIR) শুরু করেছে, তাতে বিপুল সংখ্যক অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকের নাম ভোটার তালিকা থেকে ছাঁটাই করা হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টি এই তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়াকেই ‘ভোট চুরি’ আখ্যা দিয়ে আন্দোলন জোরদার করেছে।

কূটনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, ভোটার তালিকা থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ নাম বাদ দেওয়া এবং ভারতের তরফ থেকে সম্ভাব্য অনুপ্রবেশকারী ফেরানোর (Pushback) উদ্বেগের মাঝেই কি ওপার বাংলার একাংশ এই আন্দোলনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে? ককরোচদের সমর্থনে ঢাকার রাস্তায় ইসলামপন্থীদের এই সক্রিয়তা নিছক সহমর্মিতা নাকি ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে প্রভাবিত করার আন্তর্জাতিক চক্রান্ত—তা নিয়ে জোর জল্পনা চলছে।

আরও পড়ুনঃ এত সাহস আসছে কোথা থেকে? ‘বন্ডে সই করিনি’, আদালতের শর্তকে থোড়াই কেয়ার দীপকের!

কূটনৈতিক উদ্বেগ ও দিল্লির নীরবতা

কূটনীতিবিদদের মতে, ভারতের নির্বাচন কমিশনের স্বাধীন সিদ্ধান্ত এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংঘাতকে সীমানা পার করে ঢাকার মঞ্চে নিয়ে যাওয়া দুই প্রতিবেশী দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়। ওপার বাংলার এই অনভিপ্রেত উসকানি ও সমাবেশ ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কে এক নতুন জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে।

তবে ঢাকার এই বিতর্কিত সংহতি সমাবেশ এবং বাংলাদেশের ইসলামপন্থী দলগুলির জড়িয়ে পড়া নিয়ে ভারত সরকারের পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বা সরকারি প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। দিল্লি এই ঘটনার ওপর অত্যন্ত কড়া নজর রাখছে বলেই সাউথ ব্লক সূত্রে খবর।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন