বিশেষ আন্তর্জাতিক ও প্রাকৃতিক দূর্যোগ সংক্রান্ত সংবাদ প্রতিবেদন:
জাপানের রাজধানী টোকিও ও সংলগ্ন পূর্ব উপকূলে এক শক্তিশালী ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬.১। শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৩৯ মিনিট (বাংলাদেশ/ভারতীয় সময় অনুযায়ী বিকেল প্রায় ৪টা ০৯ মিনিট) নাগাদ এই কম্পন ঘটে। ভূমিকম্পটির তীব্রতা রাজধানী টোকিওসহ আশপাশের কান্টো অঞ্চলে অনুভূত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুনঃ ভুটানের সিন্তাফুচুতে বড় ধস; নদীর জলস্তর বৃদ্ধির আশঙ্কায় উত্তরবঙ্গে চরম সতর্কতা
১. ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ও প্রকৃতি
-
উৎস ও সময়: জাপান আবহাওয়া দপ্তর (JMA) সূত্রে জানানো হয়েছে, কান্টো (Kanto) অঞ্চলের উপকূলে সমুদ্রের তলদেশে ছিল এই ভূকম্পনের মূল কেন্দ্র বা এপিসেন্টার।
-
তীব্রতা: অগভীর এই ভূমিকম্পটির রিখটার স্কেলের প্রাথমিক মাত্রা রেকর্ড করা হয় ৬.১। কম্পনের ধাক্কায় সেন্ট্রাল টোকিওর বহুতল ভবনগুলি বেশ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে ওঠে।
২. সুনামি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিস্থিতি
-
সুনামি সতর্কতা জারি হয়নি: ভূকম্পনের মাত্রা ৬-এর ওপরে হলেও এর ফলে কোনো বিধ্বংসী সুনামি সতর্কতা (Tsunami Warning) জারি করা হয়নি।
-
ক্ষয়ক্ষতি ও অবকাঠামো: উদ্ধারকারী সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, সড়ক, রেল ও বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোথাও কোনো বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি। বিদ্যুৎ ও পারমাণবিক প্ল্যান্টগুলিতেও কোনো গোলযোগ দেখা দেয়নি।
আরও পড়ুনঃ এনজেপি আসার পথে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড; পঞ্জাবে কর্মভূমি এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন-সহ ৫টি কামরায় আগুন
উপসংহার
প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত হওয়ার কারণে জাপানে প্রায়শই ভূকম্পন ঘটে থাকে। তবে দেশটির উন্নত প্রযুক্তিগত সতর্কীকরণ ব্যবস্থা ও ভূকম্পন-সহনশীল অবকাঠামোর দরুন ৬.১ মাত্রার এই কম্পনেও বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে। কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতির ওপর সতর্ক নজর রাখছে।


