spot_img
Thursday, 12 March, 2026
12 March
spot_img
HomeকলকাতাKolkata: সৌজন্যের ‘হ্যাটট্রিক’! ব্যক্তিগত শ্রদ্ধাবোধ অমলিন মমতার

Kolkata: সৌজন্যের ‘হ্যাটট্রিক’! ব্যক্তিগত শ্রদ্ধাবোধ অমলিন মমতার

সাম্প্রতিক সময়ে এই নিয়ে তিনবার জনসমক্ষে বিমান বসুর প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা দেখিয়েছেন মমতা।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

রাজনীতিতে তাঁরা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু সৌজন্যের বেলায় ব্যক্তিগত শ্রদ্ধাবোধ অমলিন। বৃহস্পতিবার লোকভবনে তা ফের প্রমাণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন রাজ্যপাল আর এন রবি-র শপথ অনুষ্ঠানে তখন সাজ সাজ রব। তৃতীয় সারিতে বসেছিলেন প্রবীণ সিপিআইএম নেতা বিমান বসু। তা নজরে আসতেই এগিয়ে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। সটান বললেন, “বিমানদা, পিছনে কেন? আপনি সামনে আসুন না।” শুধু ডাকাই নয়, নিজে হাতে চেয়ার এগিয়ে দিয়ে প্রবীণ বাম নেতাকে সামনে নিয়ে এলেন মমতা।

আরও পড়ুনঃ আজ থেকেই বাংলার দায়িত্বে রবীন্দ্র নারায়ণ রবি, ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী

মুখ্যমন্ত্রীর ঠিক পাশেই ছিল কলকাতার মেয়র তথা মন্ত্রী ফিরহাদ (ববি) হাকিমের আসন। ফিরহাদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলেও বিশেষ প্রয়োজনে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। মেয়রের সেই খালি আসনেই বিমানবাবুকে নিয়ে এসে বসান মুখ্যমন্ত্রী।

এদিন সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ লোকভবনে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল নবনিযুক্ত রাজ্যপাল আর এন রবি-কে শপথ বাক্য পাঠ করান। তামিলনাড়ুর প্রাক্তন এই রাজ্যপাল হিন্দিতে শপথ গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী ও প্রশাসনের শীর্ষকর্তারা। তবে রাজভবনের এই অনুষ্ঠানেও চোখে পড়ার মতো ছিল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর অনুপস্থিতি। বিজেপির তরফে উপস্থিত ছিলেন অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়।

সাম্প্রতিক সময়ে এই নিয়ে তিনবার জনসমক্ষে বিমান বসুর প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা দেখিয়েছেন মমতা। এদিন কেবল জায়গা করে দেওয়াই নয়, প্রবীণ নেতার শরীরেরও খোঁজ নেন তিনি। এর আগেও রাজভবনের একটি অনুষ্ঠানে একইভাবে চেয়ার বদল করে বিমান বসুকে সামনে এনেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শপথ গ্রহণের পর রাজ্যপালের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও সৌজন্য বিনিময় করেন মমতা।

আরও পড়ুনঃ কলকাতায় বাম রাজনীতিতে ফের যৌন হেনস্থার অভিযোগ!

সিভি আনন্দ বোসের ইস্তফার পরে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী রাজ্যপাল হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয় রবিকে। তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল থাকার সময় ডিএমকে সরকারের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছেন রবি। একবার-দু’বার না, বারবার। গত কয়েক বছরে বিভিন্ন বিল ঘিরে এমকে স্ট্যালিনের সরকারের সঙ্গে রবির সংঘাত সামনে এসেছে। এমনকি, রাজ্যপালকে সরানোর জন্য রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছেও আর্জি জানিয়েছিলেন স্ট্যালিনরা। এ বার আনন্দ বোসের উত্তরসূরি হিসাবে সেই রবিকেই পশ্চিমবঙ্গের লোকভবনের দায়িত্ব দেওয়া হল।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন