Monday, 25 May, 2026
25 May
Homeদক্ষিণবঙ্গFalta: বঙ্গে ২০৮ হওয়ার পথে বিজেপি, ফলতায় দ্বিতীয় স্থানে CPIM; এলাকা জুড়ে...

Falta: বঙ্গে ২০৮ হওয়ার পথে বিজেপি, ফলতায় দ্বিতীয় স্থানে CPIM; এলাকা জুড়ে উড়ছে গেরুয়া আবির

ব্যবধান বাড়িয়ে চলেছে বিজেপি, ‘পুষ্পা’হীন ফলতায় দ্বিতীয় স্থানে সিপিএম, তৃণমূল চতুর্থই

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্নির্বাচনের ভোটগণনা রবিবার সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তার মধ্যে শুরু হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই কেন্দ্রে গত ২১ মে ফের ভোটগ্রহণ হয়েছিল। এর আগে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ইভিএমে কারচুপি এবং ভোট প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ ভোট বাতিল করে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেয়। আজ সেই পুনর্নিবাচনের ফল প্রকাশ। সকাল থেকে শুরু হয়েছে গণনা। মোট ২১ রাউন্ড গণনা হবে। এর মধ্যে তিন রাউন্ড পরই ১৪ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি।

আরও পড়ুনঃ ভাইপোর সুর নরম হল, সময় চাইলেন কলকাতা পৌরনিগমের কাছে

প্রথম তিন রাউন্ড গণনার পরে বিজেপির দেবাংশু পণ্ডা পেয়েছেন ২১৫৮৩ ভোট, সিপিএমের সম্ভু নাথ কুড়মি পেয়েছেন ৭৩৪৬ ভোট, তৃতীয় স্থানে কংগ্রেসের আবদুর রাজ্জাক মোল্লা পেয়েছেন ১৪৭০ ভোট। আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে ‘সরে আসা’ তৃণমূলের জাহাঙ্গির খান পেয়েছেন ১০৬২।

নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছিল, ফলতা কেন্দ্রের ২৮৫টি বুথেই নতুন করে ভোট নেওয়া হবে। কমিশনের দাবি, তদন্তে ‘গুরুতর নির্বাচনী অপরাধ’ এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার প্রমাণ মিলেছে। বিশেষ পর্যবেক্ষকের রিপোর্টে একাধিক বুথের সিসিটিভি ফুটেজে অসঙ্গতি এবং ভোট গ্রহণে নিয়মভঙ্গের অভিযোগ উঠে আসে।

পুনর্নির্বাচনের দিন নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেকটাই বাড়ানো হয়েছিল। প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন দ্বিগুণ করা হয়। প্রায় ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং একাধিক কুইক রেসপন্স টিম এলাকায় টহল দেয়। নির্বাচন কমিশনের দাবি, শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই ভোট সম্পন্ন হয়েছে। ভোটের হার ছিল প্রায় ৮৮ শতাংশের কাছাকাছি।

আরও পড়ুনঃ হায়রে তৃণমূল! মহিলা ও তাঁর সন্তানকে বাংলাদেশে পাচারের অভিযোগ, হিলিতে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

এই কেন্দ্রকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে যায় ভোটের ঠিক আগে। তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান হঠাৎই প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেন। তিনি জানান, ফলতার উন্নয়নের স্বার্থে এবং শান্তি বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও বিরোধীরা এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা প্রশ্ন তোলে।

অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডা শুরু থেকেই জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, আগের ভোটে বহু বুথে অনিয়ম হয়েছে এবং বিজেপির প্রতীক নিয়ে কারচুপির চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই কারণেই পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়েছিল বলে দাবি বিজেপির।

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন