কুশল দাশগুপ্ত,
রীতি অনুসারে সোনার ঝাড়ু দিয়ে কলকাতা ইসকনের রথযাত্রার শুভ সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার দুপুরে ইসকন মন্দিরে পৌঁছে তিনি প্রভু জগন্নাথদেবের বিগ্রহের সামনে পুজো ও আরতি করেন এবং রথের রশি টানেন। এরপর শ্রীল প্রভুপাদের কক্ষে গিয়ে প্রণাম জানান এবং সেই কক্ষটিকে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে হেরিটেজ ঘোষণার জন্য আবেদন করবেন বলে আশ্বাস দেন।
মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে জানান, একজন সনাতনী হিসেবে ইসকনের এই উৎসবে অংশ নিতে পেরে তিনি গর্বিত। রাজ্যের উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে সংস্কৃতিকে এগিয়ে নেওয়াই সরকারের লক্ষ্য। ইসকনের মিড-ডে মিল কর্মসূচির ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি জানান, রাজ্যের ২২টি বড় শহরে স্কুলের মিড-ডে মিলের দায়িত্ব ইসকনের হাতে রয়েছে এবং তা পুষ্টিকর।
এই বছর রাজ্য সরকার ৬০টি রথযাত্রা কমিটিকে ৫ লক্ষ টাকা করে মোট ৩ কোটি টাকা আর্থিক অনুদান দেবে, যা ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে সুসংগঠিত করবে। রথযাত্রা উপলক্ষে ইসকন চত্বরে উপস্থিত ভক্তদের মাঝে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুনঃ আরে সবাই দেখছে যে! শিক্ষক-শিক্ষিকার ঠোঁটঠাসা ‘চুমু’
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও মুখ্যমন্ত্রীকে রথযাত্রার শুভেচ্ছা জানিয়ে মহাপ্রভু জগন্নাথদেবের কাছে সুস্বাস্থ্য, সুখ ও সমৃদ্ধির প্রার্থনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, রথযাত্রা ভারতের আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের উজ্জ্বল প্রকাশ এবং বিশ্বব্যাপী প্রজন্ম থেকে প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে আসছে।
সবমিলিয়ে, ইসকনের রথযাত্রা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি সম্প্রীতি ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে বাংলার সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধিতে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে।


