সিপিআইএম-এর বিক্ষোভ সমাবেশ। পুলিশ এফআইআর করল আরএসপি-র বিরুদ্ধে। তাতেই চাপানউতোর মালদহের রাজনৈতিক মহলে। বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছিল সিপিএম। বারেবারে বলেছিল এককভাবে তাঁদেরই কর্মসূচি।
আরও পড়ুনঃ বাম সরকারের পতনের জন্য দায়ী বামেরাই! বাম শত্রু বাম
কিন্তু তারপরেও পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চর্চা। গত ২৪ জানুয়ারি মালদহ শহরে রথ বাড়ি এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ করার দায়ে মালদহের ইংরেজবাজার থানার পুলিশ জামিন অযোগ্য ধারায় এফআইআর করল সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, শতরূপ ঘোষ-সহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে। আর সেই ৩৪ জনের মধ্যেই ১৭ নম্বরে নাম রয়েছে প্রবীণ আরএসপি নেতা সর্বানন্দ পাণ্ডের। তিনি দলের মালদহ জেলা সম্পাদকও বটে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই রাজনৈতিক মহলে দানা বেঁধেছে বিতর্ক। আরএসপি, সিপিআইএম, বিজেপি সকলেরই অভিযোগ, পুলিশকে ব্যবহার করছে তৃণমূল নেতারা। বিজেপির দাবি, আসলে সিভিক দিয়ে সব চালানো হচ্ছে। পুলিশের আসলে জানাই নেই ওটা কোন দলের সভা।
আরও পড়ুনঃ পথ অবরোধ, বেহাল রাস্তার জেরে পথ দুর্ঘটনা গঙ্গারামপুরে
এদিকে প্রথমে বৃন্দাবনী ময়দানে ওই সভা করার জন্য আবেদন করে সিপিআইএম। কিন্তু সেই সভার অনুমতি পাওয়া যায়নি। পরে মালদহ কলেজ মাঠে সভা করার জন্য অনুমতি চাওয়া হয়। কিন্তু সেখানেও অনুমতি না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত হাইকোর্টে যায় সিপিএম। কিন্তু তারপরেও পুলিশি টালবাহানা চলতে থাকে বলে অভিযোগ।
এরইমঘধ্যে মালদহ শহরের রথবাড়ি এলাকায় সভা করে সিপিএম। সভার দিন সেখানে ব্যাপক জনসমাগমও হয়। বিরোধীদের অভিযোগ, সভার পরেই শুরু হয়ে যায় পুলিশি তৎপরতা। করা হয় এফআইআর। এখন তা নিয়েই যত বিভ্রান্তি। সূত্রে খবর, ঘটনায় জোরদার চাপানউতোর তৈরি হয়েছে বামেদের অন্দরেও। সিপিআইএম ও আরএসপি দু’টি দলই পাল্টা আইনি লড়াই লড়তে চলেছে বলে জানা যাচ্ছে।









