বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার কাউন্টডাউন শুরু। আর ঠিক তার আগেই মুর্শিদাবাদের ডোমকল মহকুমার রাজনৈতিক সমীকরণ ওলটপালট হতে শুরু করেছে। জলঙ্গি, ডোমকল এবং রানিনগর, এই তিন কেন্দ্রকে ঘিরে এখন টানটান উত্তেজনা। শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে বড়সড় ভাঙন এবং বিরোধীদের শক্তিবৃদ্ধি এই অঞ্চলের নির্বাচনী লড়াইকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ কলকাতায় ভয়ঙ্কর ছবি! রাজাবাজার সায়েন্স কলেজের সামনে রহস্যময় ব্যাগ!
সবচেয়ে নাটকীয় ঘটনাটি ঘটেছে ডোমকল টাউনে। ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল ওয়ার্ড সভাপতি বাবু মালিথ্যা অনুগামীদের নিয়ে দলবদল করতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। অভিযোগ, তাঁর দলত্যাগের পরপরই ওই এলাকায় তৃণমূলের পার্টি অফিসটির দখল নেয় সিপিআইএম (CPI-M) কর্মীরা। সেখানে তৃণমূলের ঝাণ্ডা সরিয়ে ওড়ানো হয়েছে লাল নিশান। নির্বাচনের ঠিক মুখে এই ঘটনা তৃণমূল শিবিরের জন্য বড় অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শুধু ডোমকল টাউন নয়, জলঙ্গি ও রানিনগরের গ্রামাঞ্চলেও বাম-কংগ্রেস জোটের তৎপরতা চোখে পড়ার মতো।জলঙ্গির একের পর এক যোগদান সভায় ভিড় বাড়ছে। বিরোধীদের দাবি, সাধারণ মানুষ এবার তৃণমূলের বিকল্প হিসেবে বাম-কংগ্রেস জোটকেই বেছে নিচ্ছে।দলত্যাগী প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক আব্দুর রাজ্জাকও এলাকায় ঘুরে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছেন, যা শাসক দলের রক্তচাপ বাড়িয়ে দিয়েছে।
তবে এই ভাঙন নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নয় ঘাসফুল শিবির। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই ধরণের দলবদল ভোটের ফলাফলে কোনো প্রভাব ফেলবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের নিরিখেই মানুষ ফের ডোমকল মহকুমার তিনটি আসনেই তৃণমূলকে জয়ী করবে।



