spot_img
Monday, 2 March, 2026
2 March
spot_img
HomeকলকাতাIPac: ব্যাতিক্রমী মনোভাব! ইডির IPac-এ হানাদারির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার ডাক বামপন্থী দলের

IPac: ব্যাতিক্রমী মনোভাব! ইডির IPac-এ হানাদারির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার ডাক বামপন্থী দলের

আইপ্যাক কাণ্ডে বামপন্থীদের এই অবস্থান রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

আইপ্যাক দফতর এবং কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি তল্লাশিতে রাজ্যে বেড়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এর মধ্যেই মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তদন্তে হস্তক্ষেপের অভিযোগ এবং ফাইল নিয়ে আসা কে কেন্দ্র করেও কম রাজনৈতিক তরজা হচ্ছে না এবং এখন সেই তরজা আদালতের দরজা অব্দি গিয়ে পৌঁছেছে।

আরও পড়ুনঃ প্রয়াত প্রবীণ বামপন্থী নেতা সমীর পুততুণ্ড, শোকপ্রকাশ মমতার

যদিও বিজেপি সহ বিরোধী দল গুলো মমতার এই কাজকে সমর্থন করেনি এবং সমস্বরে মমতার গ্রেফতারির দাবি জানিয়েছে। কিন্তু এই ইস্যুতেই ব্যাতিক্রমী মনোভাব দেখিয়েছে CPIML বা চরম বামপন্থীদের দল। তারা তাদের বিবৃতিতে স্পষ্ট বলেছে যে বিধানসভা নির্বাচনের আগেই কেন বাংলায় ইডি তল্লাশি হল এবং তারা আরও বলেছে বিজেপির পালে হওয়া জোগাতে এবং রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতেই ইডি বাংলায় হানা দিচ্ছে।

বামপন্থী এই দল ইডির এই বেআইনি হানাদারির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার ডাক দিয়েছে। ঠিক ছয় বছর আগে রাজীব কুমারের গ্রেফতারের ঘটনাও টেনে এনেছে তারা এবং এই ঘটনার নিন্দে করে বলেছে, ইডি মূলত অবিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতেই এ ধরনের অভিযান চালায় এবং এর মাধ্যমে বিজেপি রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে।

তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, মার্কিন কাঠামো ও সংবিধানভিত্তিক আইনের শাসনে কেন্দ্রের এই ধরনের হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়। ইডির নামে মোদী সরকারের “হানাদারি” মনোভাব গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক বলেও উল্লেখ করেছে CPIML

আরও পড়ুনঃ ❝ সব তীর্থ বারবার গঙ্গাসাগর এক বার..!❞ গঙ্গাসাগরে মকরস্নানের সমাগম কপিল মুনির আশ্রম ঘিরেই, কে এই কপিলমুনি…?

তাদের আরও অভিযোগ, সামনে নির্বাচন থাকায় বাংলার রাজনৈতিক পরিবেশকে অস্থির করে তুলতেই ইডিকে ব্যবহার করা হচ্ছে। জনগণের মতামতকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে এই অভিযান চালানো হচ্ছে বলে তাদের দাবি। সিপিআই(এমএল) এই ঘটনাকে “নির্বাচন কেন্দ্রিক রাজনৈতিক আক্রমণ” হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং এর তীব্র বিরোধিতা করেছে।

সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, সিপিআই(এমএল) এই ইস্যুতে বাম ও গণতান্ত্রিক শক্তিগুলিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের মতে, কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলিকে হাতের পুতুলের মতো ব্যবহার করে বিজেপি ফ্যাসিবাদী কায়দায় ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করছে। এই প্রবণতার বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলাই এখন তাদের দাবি।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, আইপ্যাক কাণ্ডে বামপন্থীদের এই অবস্থান রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। একদিকে তৃণমূল-বিরোধী লড়াই, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় এজেন্সির ভূমিকা এই দ্বন্দ্বের মাঝে বামপন্থীদের অবস্থান ভবিষ্যতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন