Friday, 10 April, 2026
10 April
Homeলাইফ-স্টাইলHeart Attack: আতঙ্ক বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের, ৯টি পরিবর্তন আনা দরকার

Heart Attack: আতঙ্ক বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের, ৯টি পরিবর্তন আনা দরকার

নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের মধ্যে হার্টের রোগ ধরা পড়ছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

হার্ট অ্যাটাক নিয়ে আতঙ্ক বেড়ে চলেছে গোটা পৃথিবী জুড়ে। নানা দিকে নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের মধ্যে হার্টের রোগ ধরা পড়ছে। আর তাতেই নতুন ধরনের যাপনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাঁদের মতে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই ঝুঁকি আগেই কমানো যায়, যদি জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ বদল আনা যায়। প্রতি দিনের কিছু অভ্যাসই ঠিক করে দেয় আপনার হার্ট কতটা সুস্থ থাকবে। কী কী ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা দরকার?

. প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো: যে বাতাসে শ্বাস নিচ্ছেন, যে জল পান করছেন, যে খাবার খাচ্ছেন, সব জায়গাতেই এখন ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি। এগুলি শরীরে গিয়ে ধীরে ধীরে প্রদাহ তৈরি করতে পারে, যা দীর্ঘ মেয়াদে হার্টের সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়। তাই জীবন থেকে প্লাস্টিকের পরিমাণ কমানো দরকার।

. ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার খাওয়া: খাবারদাবারের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছের মতো খাবার হার্টের জন্য খুব উপকারী। এতে থাকা ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড হার্টের স্বাস্থ্যরক্ষা করে। নিয়মিত এই ধরনের পুষ্টিকর খাবার খেলে হৃদ্‌রোগের সম্ভাবনা কমে।

আরও পড়ুনঃ মাত্র ৯৯৭ টাকায় ১৫০ দিন নিশ্চিন্ত! BSNL প্ল্যানে আনলিমিটেড কলিং + ডেটা সুবিধা

. রোদের সংস্পর্শে থাকা: সূর্যালোকের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলছেন চিকিৎসকেরা। নতুন প্রজন্মের কাজকর্ম মূলত ঘরের ভিতর এবং শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ঘরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু নিয়মিত সূর্যের আলো শরীরের নানা প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে এবং হার্টের স্বাস্থ্যের উপর ভাল প্রভাব ফেলতে পারে। ধমনীর প্ল্যাক জমার সমস্যায় রেহাই দিতে পারে বলে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে পারে।

. পর্যাপ্ত ঘুম: অনেকেই গুরুত্ব দেন না ঘুমোনোকে। কিন্তু পর্যাপ্ত ও ভাল ঘুম না হলে শরীর ঠিক মতো নিজেকে মেরামত করতে পারে না। এতে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশ্রামে থাকাকালীন শরীরে কোষের মেরামতি থেকে বিপাকক্রিয়া সবই সক্রিয় থাকে। সেই সময়টা শরীরকে দেওয়া উচিত। তাতেই বহু রোগ থেকে দূরে থাকা যায়।

. সক্রিয় থাকা: শরীরকে নড়াচড়া করানো দরকার। আজকাল বসে বসে কাজ করার প্রবণতা বেড়েছে অনেকাংশে। এই সহজ বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত হাঁটা, সাইকেল চালানো বা হালকা ব্যায়াম— যা-ই হোক, শুরু করা দরকার। বসে থাকার অভ্যাস কমাতে হবে।

. মানসিক চাপ কমানো: হার্টের শত্রু মানসিক চাপ। দীর্ঘ দিনের চাপ শরীরে এমন পরিবর্তন আনে, যা হার্টের উপর খারাপ প্রভাব ফেলে। তাই নিজের মতো করে চাপ কমানোর উপায় খুঁজে নেওয়া দরকার।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় বিজেপি কার হাত ধরে ঢুকেছিল? মমতা না অটল-মমতা জোট! সিপিএম তাই বলে; কিন্তু আসলে কি তাই?

. ঘরের পরিবেশ সুস্থ রাখা: নিজের থাকার জায়গাটাও গুরুত্বপূর্ণ। ঘরে যদি আর্দ্রতা, ছত্রাক বা জীবাণুর সমস্যা থাকে, তা দীর্ঘ মেয়াদে শরীরের ক্ষতি করতে পারে, এমনকি হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে।

. পরীক্ষা করানো: শুধু বাইরে থেকে যত্ন নিলেই হবে না, শরীরের ভিতরের অবস্থাও জানা দরকার। নিয়মিত কিছু পরীক্ষা করিয়ে শরীরের প্রদাহ, পুষ্টির ঘাটতি বা অন্য ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা রাখা ভাল।

. ইলেকট্রনিক যন্ত্রের ব্যবহার কমানো: ইলেকট্রনিক যন্ত্রের অতিরিক্ত ব্যবহার কমানো দরকার। বিশেষ করে ঘুমের সময়ে মোবাইল বা অন্যান্য যন্ত্র দূরে রাখা ভাল বলে মনে করা হচ্ছে। এ সব থেকে হার্টে খারাপ প্রভাব পড়তে পারে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন