Wednesday, 9 September, 2026
9 September
Homeআন্তর্জাতিক নিউজHuman Brain: আয়ু ৭ বছর, খুলল চিকিৎসার নতুন দিশা; গবেষণাগারে কৃত্রিম মগজ...

Human Brain: আয়ু ৭ বছর, খুলল চিকিৎসার নতুন দিশা; গবেষণাগারে কৃত্রিম মগজ বানিয়ে যুগান্তকারী সাফল্য 

নতুন আবিষ্কৃত ওষুধ রোগীদের শরীরে প্রয়োগের আগেই এই কৃত্রিম মগজে ট্রায়াল দিয়ে তার কার্যকারিতা দেখা যাবে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক:

চিকিৎসাবিজ্ঞান ও নিউরোসায়েন্সের ইতিহাসে এক অভাবনীয় মাইলফলক স্পর্শ করলেন আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা। গবেষণাগারে কৃত্রিম উপায়ে স্টেম কোষ থেকে তৈরি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র মানব মস্তিষ্ক বা ‘ব্রেন অর্গ্যানয়েড’ দীর্ঘ ৭ বছর ধরে জীবন্ত রাখতে সক্ষম হলেন বিজ্ঞানীরা। ইতিপূর্বে তৈরি কৃত্রিম মগজ সর্বোচ্চ ৬৯৪ দিন টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু হার্ভার্ডের এই সাত বছরের গবেষণায় মস্তিষ্কের জটিল স্নায়বিক রোগের কারণ ও নিরাময়ের নজিরবিহীন উপায় সামনে এসেছে।

গবেষণাকাল শেষে কোষগুলিকে নষ্ট করা হলেও, গবেষকদের দাবি—বিশেষ প্রক্রিয়ায় এই কৃত্রিম মগজকে আরও দীর্ঘকাল বাঁচিয়ে রেখে পরীক্ষা চালানো সম্ভব ছিল।

আরও পড়ুনঃ  জর্ডানে মার্কিন সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা; ২০টি ক্ষেপণাস্ত্রের ১৮টিই ধ্বংসের দাবি জর্ডানের

কীভাবে তৈরি ও জীবন্ত রাখা হলো এই কৃত্রিম মস্তিষ্ক?

হার্ভার্ড স্টেম সেল ইনস্টিটিউটের প্রধান গবেষক পাওলা আরলোটা ও তাঁর দলের এই গবেষণার প্রধান প্রধান কারিগরি দিকসমূহ:

বিষয় গবেষণাগারের প্রযুক্তি ও বৈশিষ্ট্য
আকার ও স্থান মানুষের আসল মগজের ‘মিড ব্রেন’ (শব্দ শোনা, দেখা, চিন্তা করা ও অঙ্গ সঞ্চালনের জন্য দায়ী অংশ)-এর অনুসরণে ২-৩ মিলিমিটারের এই ব্রেন অর্গ্যানয়েড তৈরি হয়।
কোষের গঠন আসল মস্তিষ্কের মতোই এতে স্তরে স্তরে স্নায়ুকোষ, স্নায়ুতন্ত্র এবং কোষে কোষে স্নায়বিক সংকেত বা সিগন্যাল আদান-প্রদানের সক্ষমতা ছিল।
জীবন্ত রাখার প্রযুক্তি ‘ডিএনএ মিথাইলেশন’ (DNA Methylation) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোষের বিকাশ ঘটানো হয় এবং নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন ও পুষ্টি জুগিয়ে টানা ৭ বছর একে সচল রাখা হয়।

আরও পড়ুনঃ  সিঁদুরে মেঘে আশঙ্কিত শিক্ষকদের একাংশ! জনগণনার কাজে যুক্ত শিক্ষকদের বদলি নয়

চিকিৎসাবিজ্ঞানে যে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলল

এই ৭ বছরের দীর্ঘ পর্যবেক্ষণে স্নায়ুবিজ্ঞান ও জটিল রোগের চিকিৎসায় যে বৈপ্লবিক অগ্রগতি হয়েছে:

  • স্মৃতি গঠন ও ডিমেনশিয়া চিকিৎসা: মগজে কীভাবে স্মৃতি তৈরি হয়, তা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে। এর মাধ্যমে আলঝাইমার্স, ডিমেনশিয়া (স্মৃতিনাশ) এবং বয়সের সাথে সাথে স্মৃতিশক্তি ক্ষয়ের সুনির্দিষ্ট কারণ চিহ্নিত করা গেছে।

  • পারকিনসন্স ও অটিজমের গোপন রহস্য: মস্তিষ্কের কোন নির্দিষ্ট কোষের পরিবর্তনের কারণে পারকিনসন্স বা অটিজমের মতো ব্যাধি দেখা দেয় এবং শিশুদের জন্মের পর মস্তিষ্কের বিকাশ কীভাবে ঘটে—তার রহস্য উন্মোচিত হয়েছে।

  • ওষুধের সরাসরি ট্রায়াল: নতুন আবিষ্কৃত ওষুধ রোগীদের শরীরে প্রয়োগের আগেই এই কৃত্রিম মগজে ট্রায়াল দিয়ে তার কার্যকারিতা দেখা যাবে। বিশেষ করে ব্রেন স্ট্রোক ও ব্রেন টিউমারের নতুন প্রতিষেধক তৈরিতে এটি বড় ভূমিকা নেবে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন