২০০৩-এর পর ২০২৬। ইরাক যুদ্ধের পর এবার টার্গেট ইরান। মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বড় সেনা সমাবেশ আমেরিকার। দুটি রণতরীর বহর-সহ প্রায় সবরকমের মার্কিন যুদ্ধবিমান, গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার এখন হয় ইরানের কাছে, নয়তো ইরান-মুখী।
ইরান ও মার্কিন প্রতিনিধিদের নিয়ে জেনেভার বৈঠক ফলপ্রসূ হয়নি। ট্রাম্প-ও আর সময় দিতে নারাজ। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি খুব চেষ্টা করছেন যুদ্ধ এড়াতে। কিন্তু সেটা আর সম্ভব নাও হতে পারে। ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, আগামী ১০ দিনের মধ্যে ইরান পরমাণু শক্তি নিরস্ত্রীকরণে রাজি না হলে খুব খারাপ ঘটনা ঘটতে চলেছে।
এখনই ইরানের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে ২টি এয়ারক্রাফট কেরিয়ার, ১২০টি যুদ্ধবিমান, অন্তত ১৭টি যুদ্ধজাহাজ। আর শুধু মধ্যপ্রাচ্যে তো নয়, ইরানে আঘাত হানতে ব্রিটেন, গ্রিস, বুলগেরিয়ার মতো ঘাঁটিতেও মোতায়েন রয়েছে একাধিক ভয়ঙ্কর বোমারু বিমান ও যুদ্ধবিমান। নজরদারি ও হামলায় সাহায্য করতে ই-৩ সেন্ট্রি AWACS সর্বক্ষণ ঘোরাঘুরি করছে। মজুত পর্যাপ্ত পরিমাণে MQ-4 Triton ও RQ-4 Global Hawk ড্রোন।

- ওমানের কাছে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন দাঁড়িয়ে ৭৫টি যুদ্ধবিমান নিয়ে
- সবচেয়ে বড় রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড ইরানমুখী
- মোতায়েন ৩৬টি এফ-১৫ ঈগল ও এফ-১৬ ফ্যালকন
- এফ-৩৫ ও এফ-২২ যুদ্ধবিমান অন্তত ৩০টি
- হক আই ও সি-হক হেলিকপ্টার মোতায়েন
- এ-১০ ওয়ার্থহগ ও এফ-১৮ সুপার হরনেট ফাইটার জেট
- আরব ও লোহিত সাগরে ১২টি গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার
- যার মধ্যে ৯টি-তে রয়েছে টোমাহক মিসাইল









