spot_img
Tuesday, 3 March, 2026
3 March
spot_img
HomeকলকাতাWB University Bill: আচার্য পদ নিয়ে জোর ধাক্কা মমতার, মুখ্যমন্ত্রীর বিল ফেরালেন...

WB University Bill: আচার্য পদ নিয়ে জোর ধাক্কা মমতার, মুখ্যমন্ত্রীর বিল ফেরালেন রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতির অনুমোদন ছাড়া কোনও রাজ্য আইন কার্যকর হওয়া সম্ভব নয়, বিশেষ করে যখন তা সংবিধান নির্ধারিত কর্তৃত্ব ও ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে বড়সড় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিতর্কের আবহে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত দু’টি সংশোধনী বিলে সম্মতি দিলেন না রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ফলে আপাতত কার্যকর হচ্ছে না রাজ্য সরকারের প্রস্তাবিত ওই দুই সংশোধনী আইন। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই সিদ্ধান্ত রাজ্যের উচ্চশিক্ষা প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

আরও পড়ুনঃ নহবতের মঙ্গলধ্বনিতে লেখা মহাকাব্য

রাজ্য সরকারের তরফে পেশ করা এই সংশোধনী বিলগুলির মূল লক্ষ্য ছিল রাজ্য-সহায়তাপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে রাজ্যপাল তথা আচার্যের ক্ষমতা পরিবর্তন করা। বর্তমান ব্যবস্থায় রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য পদে রয়েছেন রাজ্যপাল। সংশোধনী বিলগুলির মাধ্যমে সেই ক্ষমতা পুনর্বিন্যাস বা সীমিত করার প্রস্তাব ছিল বলে জানা গেছে। তবে রাষ্ট্রপতির সম্মতি না পাওয়ায় এই প্রস্তাবগুলি আপাতত বাস্তবায়িত হচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, রাষ্ট্রপতির সম্মতি পেলে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় প্রশাসনিক কাঠামোয় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারত। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের ভূমিকা আরও বাড়তে পারত। কিন্তু রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তে সেই পথ আপাতত বন্ধ থাকল।

আরও পড়ুনঃ সবজি বাজারে দামের ওঠানামা চোখে পড়ার মতো; আজ সপ্তাহের প্রথম দিন সবজি বাজারের হালচাল

উল্লেখযোগ্যভাবে, গত কয়েক বছর ধরে রাজ্য সরকার ও রাজভবনের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়ে টানাপড়েন চলছেই। উপাচার্য নিয়োগ, প্রশাসনিক ক্ষমতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বশাসন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ প্রকাশ্যে এসেছে একাধিকবার। সংশোধনী বিলগুলিকে সেই প্রেক্ষাপটেই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছিল।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজ্য সরকার যে সংশোধনী বিল দুটি পেশ করেছিল, সেগুলি সংবিধানগত কাঠামোর সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। সেই কারণেই রাষ্ট্রপতির সম্মতি পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে মত বিশেষজ্ঞ মহলের। রাষ্ট্রপতির অনুমোদন ছাড়া কোনও রাজ্য আইন কার্যকর হওয়া সম্ভব নয়, বিশেষ করে যখন তা সংবিধান নির্ধারিত কর্তৃত্ব ও ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন