Sunday, 17 May, 2026
17 May
HomeদেশSuper El-Nino: পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর; ভয় ধরাচ্ছে ‘সুপার এল নিনো’

Super El-Nino: পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর; ভয় ধরাচ্ছে ‘সুপার এল নিনো’

পৃথিবীর আবহাওয়ার একটা বড় অংশ নির্ভর করে প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রার ওপর।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

সুপার এল নিনো-র পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। মে মাস থেকে জুলাই মাসের মধ্যে এল নিনোর প্রভাব পড়তে পারে। আর এর প্রভাবে বাড়বে তাপমাত্রা। তাপপ্রবাহ বইবে। বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। এমনকী, খরাও দেখে দেবে বিভিন্ন জায়গায়। আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়ে দিয়েছে, বর্ষায় এবার বৃষ্টি সেভাবে হবে না। তার নেপথ্যে হল এই ‘সুপার এল নিনো’। তবে, শুধু খরা নয়, এল নিনোর প্রভাবে একাধিক এলাকায় বন্যা পর্যন্ত হতে পারে। এল নিনোর প্রভাবে কোন কোন এলাকায় কী মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে, তা জেনে নেওয়া যাক

পৃথিবীর আবহাওয়ার একটা বড় অংশ নির্ভর করে প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রার ওপর। মহাসাগরের জলের উপরিভাগ ঠান্ডা হওয়ার প্রক্রিয়াকে ‘লা নিনা’ বলা হয়। এর প্রভাবে অতিবৃষ্টি হতে পারে বা তীব্র শীত হতে পারে। আবার প্রশান্ত মহাসাগর যদি উষ্ণ হয়ে যায় তাহলে বলা হয় ‘এল নিনো’। এর প্রভাবে তাপপ্রবাহ বইবে। লু বইবে। খরা হবে।

আরও পড়ুনঃ টিকিট শেষ আগেই, সাদা কাপড়ে ঢাকল মমতার ছবি, ডার্বিতে আমন্ত্রিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

ভারতজুড়ে শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাব একরকম হয় না। কোথাও তাপপ্রবাহ বইবে কোথাও আবার বেশি বৃষ্টি। সেক্ষেত্রে কোন কোন জায়গায় খরা ও অতিবৃষ্টি হতে পারে অর্থাৎ কোন কোন এলাকায় বেশি ঝুঁকি রয়েছে দেখে নিন

ইন্ডিয়া টুডে-র প্রতিবেদন অনুযায়ী , ভারতের উত্তর, পশ্চিম ও মধ্য অঞ্চলে তাপপ্রবাহের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। দীর্ঘদিন খরা চলতে পারে। কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপক ক্ষতি হবে। এদিকে, অগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে পঞ্জাব, হরিয়ানা এবং রাজস্থানকে বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মধ্য ও পশ্চিম ভারত জুড়ে অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর, উজ্জয়িনী, গোয়ালিয়র, চম্বল, জবলপুর, রেওয়া, শাহডোল, সাগর এবং নর্মদাপুরম সহ নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় স্বাভাবিকের থেকে কম বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

দিল্লি-এনসিআর, যেখানে ইতিমধ্যেই গরমের প্রকোপ বাড়ছে। আর সেই গরম থেকে কিন্তু বর্ষাও স্বস্তি দেবে না। এমনই পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। মূলত তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গেও কম বৃষ্টি হতে পারে। অর্থাৎ এল নিনোর প্রভাবে তাপপ্রবাহ ও লু বইতে পারে বঙ্গের একাধিক এলাকায়।

আরও পড়ুনঃ ‘ডবল ইঞ্জিন’ স্পিডে উন্নয়ন! সাতটি হাইওয়ে কেন্দ্রের হাতে তুলে দিল রাজ্য সরকার; কাজের মোড রাজ্যে পুরোপুরি অন

চেন্নাই এবং তামিলনাড়ুতে আবার বিপরীত ছবি। খরার পরিবর্তে, এই অঞ্চলগুলিতে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত এবং বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। এর আগেও যখন এল নিনো হয়েছিল, তখনও দেখা গিয়েছিল চেন্নাই ও তামিলনাড়ু সংলগ্ন এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছিল।

উল্লেখ্য, ২০১৫-২০১৬-তে এল নিনোর প্রকোপে মহারাষ্ট্রের মারাঠওয়াড়া অঞ্চলে ৪০ শতাংশ বৃষ্টিপাতের ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। একই সময়ে, চেন্নাই বেশ কয়েকদিন ধরে বন্যার জলে ডুবেছিল। সেইবার প্রচুর মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল।

 

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন