বিস্ফোরক অভিযোগ দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিমের প্রাক্তন বিধায়ক তথা সংখ্যালঘু উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী গিয়াসউদ্দিন মোল্লার। ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি তৎকালীন অ্যাডিশনাল জোনাল মিতুন কুমার দে ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, এই দু’জনের বিরুদ্ধেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। প্রসঙ্গত, এর আগে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে উস্কানিমূলক বক্তব্য ও অমিত শাহের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ এখানে চলল না তপসিয়া নাটক; বুলডোজারে সাফ হাওড়া স্টেশন চত্বর
তিনি জানান, পশ্চিম মগরাহাট বিধানসভার প্রধান থেকে পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদ থেকে পঞ্চায়েত সমিতি প্রতিটি দফতরের টিকিট পাইয়ে দিতেন তার অফিসে বসেই এবং কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করেছেন এমনটাই অভিযোগ গিয়াসউদ্দিন মোল্লার।তিনি বলেন, “এক তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারধর করেন তৎকালীন সময়ে মিতুন কুমার দে। থানার মধ্যে মারধরের পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন। তখন বিধায়ক প্রতিবাদ করেও কোনও ফল হয়নি। উল্টে মিতুন তাঁকে ধমক দিয়েছিলেন এবং লাঠি উঁচিয়ে মারার জন্য ছুটে এসেছিলেন।” বলেন, “আমার বাবা বলেছে পরবর্তী সময়ে মমতা ও অভিষেককে সব জানালেও কোনও সুরাহ হয়নি।”
তিনি জানান, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সবটাই জানতেন। মিতুন কুমার দে অভিষেকের নির্দেশ মেনেই এই কাজ করেছেন।” তাঁর বক্তব্য, এসডিপিও মিতুন কুমার দে হঠাৎই কয়েকদিনের মধ্যে তিনি অ্যাডিশনাল এসপি হয়ে ডায়মন্ড হারবার রয়ে গেলেন। শুধু ডায়মন্ড হারবার অ্যাডিশনাল এসপি নয়, তিনি আসার পর এসডিপিও অফিস রাতারাতি পরিবর্তন হয়ে যায়।”
আরও পড়ুনঃ দুদিনের মাথায় ফের বাড়ল CNG-র দাম
অপরদিকে, প্রাক্তন সংখ্যালঘু উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী সংখ্যালঘু গিয়াসউদ্দিন মোল্লা জানান, এতদিন তাঁর সাহস হয়নি দলের বিরুদ্ধে কথা বলার। প্রশাসনের এত অত্যাচার সহ্য করার পরেও মুখ খুলতে পারেনি।
গিয়াসউদ্দিন জানান, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর খুব ঘনিষ্ঠ। তাঁর উপরে আস্থা রেখেই আজ অভিযোগ করতে এসেছেন থানায়। আজ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। গিয়াসউদ্দিন বলেন, “আমি যথেষ্ট আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। এতদিন অভিযোগ করতে পারিনি। আতঙ্ক ও ভয়ের মধ্যে ছিলাম কারণ, আমার দলের কর্মীরাই হয়ত আমার উপরে আক্রমণ করতে পারেন।”


