spot_img
Thursday, 15 January, 2026
15 January
spot_img
Homeউত্তরবঙ্গSiliguri Street Food: লক্ষ্মীলাভে খুশি লক্ষ্মী, রেণুরা! শিলিগুড়ির আশ্রমপাড়ায় শীতের ছোঁয়ায় পথের...

Siliguri Street Food: লক্ষ্মীলাভে খুশি লক্ষ্মী, রেণুরা! শিলিগুড়ির আশ্রমপাড়ায় শীতের ছোঁয়ায় পথের পিঠে

ভাপা পিঠের স্বাদ যেমন হাসি ফোটায় অনেকের মুখে তেমনি বাড়তি লক্ষ্মীলাভে খুশি হন লক্ষ্মী, রেণুরা।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কুশল দাশদুপ্ত, শিলিগুড়িঃ

বিশেষ প্রতিবেদন

 স্ট্রিট ফুড হিসেবে চালের গুঁড়ো, নারকেল, গুড়, দুধ, ক্ষীর দিয়ে তৈরি রকমারি পিঠের এখন কদর বেড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় পিঠে হল ভাপা পিঠে। এছাড়াও রয়েছে চিতই পিঠে, পাটিসাপটা, মালাই পিঠে, মালপোয়া। এমনকি ছটের ঠেকুয়াও এখন বড় মিষ্টির দোকানের সুদৃশ্য কৌটোয় ঠঁাই পেয়েছে।

বাঘা যতীন পার্কের কাছে রাস্তার ধারে উনুনে বসানো একটা হাঁড়ি। তাতে জল ফুটছে। হঁাড়ির ঢাকনার ওপরে রাখা একটি বাটি। বিশেষ কৌশলে মাখা চালের গুঁড়ো বাটিতে রেখে তার ওপরে গুড় আর নারকেল দিয়ে বসিয়ে দেওয়া হয় পাত্রের ঢাকনার ওপরে। জলের ভাপে এই পিঠে তৈির হয়। এই পিঠে  ভাপা পিঠে নামেই পরিচিত। শীতসন্ধ্যায় গরম গরম এই পিঠে খাওয়ার মজাই আলাদা।

আরও পড়ুনঃ পাঁচদফা দাবিতে শিলিগুড়িতে বাংলা পক্ষর মহামিছিল, মিছিলে জনজোয়ার, এলাকায় বিরাট সাড়া

শিলিগুড়ি শহরে ফকদইবাড়ি, নেপালিবস্তি, ফাড়াবাড়ির অনেকে শহরে পিঠের দোকান দেন। একটা সময় শহরে হাতেগোনা কিছু দোকান থাকলেও এখন গ্রাহকদের উৎসাহ দেখে অনেকেই পিঠের দোকান দিচ্ছেন। আগে শুধু ভাপা পিঠে বিক্রি হলেও এখন অনেকে পাটিসাপটাও রাখছেন। প্রায় সাত বছর ধরে প্রতি শীতকালে নরেশ মোড় থেকে এসে শহরের রথখোলার কাছে পিঠের দোকান দেন শিউলি বর্মন। বলছিলেন, ‘রাজবংশীদের বাড়িতে ভাপা পিঠে খাওয়ার চল রয়েছে। প্রথমবার যখন দোকান দিয়েছিলাম এত ভালো বিক্রি হয়েছিল যে প্রতিবছরই এখন দোকান দিই।’

নেপালি বস্তি থেকে শহর শিলিগুড়িতে এসে ভাপা পিঠের দোকান দেন রেণু রায়। আগে একা আসতেন। এখন সঙ্গে করে এক প্রতিবেশীকেও নিয়ে আসেন। দিন-দিন গ্রাহক সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এখন একা সামলাতে পারেন না তিনি। বলছিলেন, ‘আগে তো একাই দোকান করতাম। এখন বিক্রিবাটা ভালো হওয়াতে পাশের বাড়ির এক দিদিকেও নিয়ে আসি। ভাপা পিঠের সঙ্গে পাটিসাপটাও বিক্রি করছি।’

আরও পড়ুনঃ ফের বিতর্কে প্রশান্ত! বন্দুক হাতে বিডিও’র গাড়ি চেপে ছিনতাই

ভাপা পিঠে বানানো খুব একটা সহজ নয়, তাই বাড়িতে বানানোর পরিবর্তে তা কিনে খাওয়াই অনেক বেশি সহজ বলে মনে করেন হাকিমপাড়ার বাসিন্দা স্নেহা সাহা। বলছিলেন, ‘ভাপা পিঠে খেতে ভালো লাগে। তবে বানানো খুব কঠিন। আর বাড়িতে বয়স্ক শ্বশুর-শাশুড়ি অন্য কোনও বাইরের খাবার পছন্দ না করলেও এই পিঠে পছন্দ করেন।’

প্রতিবছর আশ্রমপাড়ায় সন্ধ্যার দিকে ভাপা পিঠের দোকান দেন মালতী রায়। বলছিলেন, ‘অনেক নিত্য গ্রাহকের কাছে আমার নম্বর আছে। তাঁরা এবছর আমাকে পুজোর পরে ফোন করেছিলেন দোকান কবে থেকে দেব তা জানতে। সবাই এসব এত ভালোবাসে যে দোকান প্রতিবছর দিই।’ শিলিগুড়ির অনেকেরই শীতের প্রিয় স্ন্যাক্স হল ভাপা পিঠে। যেমন শুভাশিস দে বলেন, ‘অন্যান্য ফাস্ট ফুড থেকে এটি অনেক বেশি ভালো, তাই খেতে ভালো লাগে।’ শীত পড়তেই ভাপা পিঠের স্বাদ যেমন হাসি ফোটায় অনেকের মুখে তেমনি বাড়তি লক্ষ্মীলাভে খুশি হন লক্ষ্মী, রেণুরা।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন