নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহের বিরুদ্ধে জনরোষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। নির্বাচিত সরকার গঠন করে দুর্নীতি ও বেকারত্ব কমানোর আশায় যুবসমাজ আশা করেছিল দেশের উন্নতি হবে, কিন্তু এক বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই ফের বিক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠেছে।
আরও পড়ুনঃ মুহুর্মুহু বিস্ফোরণ, বাজছে সাইরেন! ইরানের ১৪০ জায়গায় হামলা আমেরিকার, পাল্টা তেহরানও
প্রধান বিষয়সমূহ:
- জেন-জি আন্দোলন: বলেন্দ্র শাহের নেতৃত্বাধীন সরকারকে স্বৈরাচারী ও জনবিরোধী বলে অভিযোগ করেছে যুব সংগঠন জেন-জি।
- বিক্ষোভ ও আত্মহত্যা: গত ৩ দিনে তিন যুবক গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন দিয়েছে, যার মধ্যে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে, একজন গুরুতর আহত।
- কর্মসংস্থান ও নীতিমালা: যুবসমাজ দাবি করছে সরকারের বাজেট ও নীতিমালা কর্মসংস্থান বাড়াতে ব্যর্থ হয়েছে।
- বিরোধী দলের সমালোচনা: নেপালি কংগ্রেস সরকারকে ব্যর্থ ঘোষণা করে যুবসমাজের পাশে দাঁড়িয়েছে।
- পূর্ব প্রেক্ষাপট: ২০২৩ সালের জেন-জি বিদ্রোহ ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পতনের পেছনে বলেন্দ্র শাহের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।
আরও পড়ুনঃ আতঙ্ক নয়, সজাগ থাকুন; এবার বড়সড়ো ভূমিকম্পের আশঙ্কা
বর্তমান পরিস্থিতি:
কাঠমান্ডুর রাস্তায় বিক্ষোভ তীব্র হচ্ছে এবং সরকার উদ্বিগ্ন। গত বছর প্রেম আচার্য নামে এক যুবকের আত্মহত্যার পর সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা হয়েছিল, যা এবার বলেন্দ্র শাহের উপরেও প্রভাব ফেলেছে।
নেপালের যুবসমাজের আশা এখন সরকারের প্রতি, যাতে তারা কার্যকরভাবে বেকারত্ব ও দুর্নীতি মোকাবিলা করে দেশকে স্থিতিশীল ও উন্নত করতে পারে।


