পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে আগামী ১৫ জুলাই সেনাবিরোধী লং মার্চের ডাক দিয়েছে স্থানীয় নাগরিকরা। এই শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দমনে পাকিস্তানের ফেডারেল সরকার ভয়ংকর পরিকল্পনা করেছে, যার অংশ হিসেবে ৪,০০০ ফেডারেল কনস্ট্যাবুলারি সদস্য এবং পাক রেঞ্জার্সের সাতটি উইং অধিকৃত কাশ্মীরে মোতায়েন করার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ভয়াবহ নৌকাডুবি ভিয়েতনামে; উল্টে গেল নৌকা
গোপন নথি অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই বিপুল সংখ্যায় সেনা মোতায়েন করা হলেও তা পর্যাপ্ত মনে হচ্ছে না প্রশাসন। নতুন বাহিনীর লক্ষ্য হবে বিদ্রোহ দমনে কঠোর কার্যক্রম চালানো, যেখানে সেনাদের অর্ধেককে অস্ত্র ও গোলাবারুদে সজ্জিত রাখা হবে এবং বাকিদের দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা হবে। এই পরিস্থিতিতে গণহত্যার আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ মাত্র ১৪ বছর বয়সে বুর্জ খলিফায় স্টার্টআপ খুলে তাক লাগাল ভারতীয় বংশোদ্ভূত কিশোর
২৭ জুলাইয়ের আঞ্চলিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তীব্র, যেখানে কাশ্মীরি শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত বিধানসভার ১২টি আসন বিলুপ্তির দাবিতে বৃহৎ প্রতিবাদ মিছিল ডাকা হয়েছে। এই আসনগুলো সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত হওয়ায় বাতিলের জন্য সাংবিধানিক সংশোধনের প্রয়োজন। এই রাজনৈতিক সংকটের কারণে পিওকে অঞ্চলে গণ আন্দোলন তীব্র হচ্ছে এবং পাক সেনা অধিকৃত কাশ্মীরে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে বিদ্রোহ দমনের জন্য।


