spot_img
Tuesday, 20 January, 2026
20 January
spot_img
Homeআন্তর্জাতিক নিউজBangladesh: বাংলাদেশের আমতলীতে তীব্র শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

Bangladesh: বাংলাদেশের আমতলীতে তীব্র শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

তীব্র শীতওঘন কুয়াশায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

মাইনুল ইসলাম রাজু, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার আমতলীতে গত দুই দিন ধরে ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন ।সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঝড়ছে কুয়াশা।উপজেলার অনেক স্থানে দৃষ্টিসীমা ৬০ মিটারের নিচে নেমে এসেছে।সারা দিনেও সূর্যের দেখা মিলছে না।গ্রাম অঞ্চলের বাসা বাড়িতে দেখা গেছে শীতে কাবু মানুষরা শীত নিবারনের জন্য খড়কুটা জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ ময়মনসিংহে রেললাইন উপড়ে ফেলল দুষ্কৃতীরা! লাইনচ্যুত ঢাকাগামী অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস

ঘন কুয়াশার কারণে সড়কগুলো ভিজে পিচ্ছিল হয়ে গেছে।ফলে দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করছে যানবাহন।সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতের তীব্রতা।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় আমতলীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২দশমিক ১০ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে কলাপাড়া আবহাওয়া অফিস।

তীব্র শীতওঘন কুয়াশায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। জীবিকার তাগিদে বের হওয়া শ্রমিক ও যানবাহন চালকরা বিপাকে পড়েছেন। অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

আরও পড়ুনঃ ইয়ুথ পাওয়ার পটুয়াখালী’র অষ্টম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সদস্য সম্মেলন–২০২৫ অনুষ্ঠিত

দিনমজুর হাফিজ বলেন,এই দুই দিন যাবৎ কাজে যেতে পারছিনা।দুই দিন সূর্যের মুখ দেখতেপারিনি।কুয়াশায় কিছুই দেখা যায়না।আমার মতো অনেকেই কাজে যেতে পারছেনা।

উপজেলার চাওড়াইউনিয়নের চন্দ্রা গ্রামের হাসান মাদবর বলেন,এই ক’দিন ধরে প্রচুর শীত পড়ছে।একারনে আমাদের এলাকায় গলা ব্যাথা,কাশি,সর্দি বেড়ে গেছে।

ছুরিকাটা গ্রামের আবুল হোসেন বলেন,শীতে কারনে ঘরথেকে বের হতে পারছিনা।সবচেয়ে বড় বিপাদে পড়েছে গ্রামের কৃষকরা অনেক গৃহস্থলি বাড়ী ধান সিদ্ধ করেছে সারা বছরের চাল তৈরি করার জন্য । কিন্তু সূর্যেও দেখা না মিলায় ধানচাল নষ্ট হওয়ার পথে বসেছে।

আমগড়াগাছিয়ার টুনটুনি বেগম বলেন, শীত আর শীত ঠান্ডার কারনে ঘর থেকে বের হতে পারছিনা।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন