spot_img
Thursday, 15 January, 2026
15 January
spot_img
HomeকলকাতাSFI: যাদবপুরে রাজ্যপালকে ঘিরে বিক্ষোভ SFI এর

SFI: যাদবপুরে রাজ্যপালকে ঘিরে বিক্ষোভ SFI এর

বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোর প্রভাব এখানে সবচেয়ে বেশি। SFI-র কর্মীরা সমাবর্তনের ভেন্যুতে পোস্টার প্রদর্শন করে স্লোগান দিতে থাকেন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৮তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানের দিনটি উৎসবের মেজাজে শুরু হলেও, শীঘ্রই তাতে মিশে গেল প্রতিবাদের সুর। বুধবার, কলকাতার এই প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজ্যপাল তথা আচার্য সি ভি আনন্দ বোসের আগমনের সঙ্গে সঙ্গেই ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

আরও পড়ুনঃ মানুষের নেই মাথাব্যাথা; ফেব্রুয়ারি মাসের ১২ তারিখ কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলির সমর্থনে বাৎসরিক ভারত বনধ-সংস্কৃতি

বাম ছাত্র সংগঠন SFI-র নেতৃত্বে ছাত্র-ছাত্রীরা হাতে পোস্টার, ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁদের মূল দাবি অবিলম্বে ছাত্র সংসদ নির্বাচন, অভ্যন্তরীণ অভিযোগ কমিটি গঠন এবং ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান।

সমাবর্তনের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও উৎসবমুখর অনুষ্ঠানের ঠিক আগ মুহূর্তে এই প্রতিবাদ যাদবপুরের রাজনৈতিক ঐতিহ্যকে আরও একবার স্মরণ করিয়ে দিল।যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরেই ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু। বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোর প্রভাব এখানে সবচেয়ে বেশি। SFI-র কর্মীরা সমাবর্তনের ভেন্যুতে পোস্টার প্রদর্শন করে স্লোগান দিতে থাকেন।

তাঁদের দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আয়োজন। এছাড়া ক্যাম্পাসে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে ICC-র দ্রুত গঠন, ছাত্রদের বিভিন্ন অভিযোগের সমাধান এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। রাজ্যপালের গাড়ি ক্যাম্পাসে প্রবেশ করার সময়েই এই বিক্ষোভ তীব্র হয়। যদিও পুলিশের উপস্থিতি ছিল, তবু প্রতিবাদ শান্তিপূর্ণভাবে চলে।

আরও পড়ুনঃ গৃহযুদ্ধ মতুয়াদের! শান্তনুর মন্তব্যের বিরুদ্ধে ঠাকুরবাড়িতে মারপিট

এই ঘটনা নতুন নয়। যাদবপুরের ইতিহাসে সমাবর্তনের দিন প্রতিবাদ একটি পুরনো ঐতিহ্য। ২০২২ সালেও একই দাবিতে SFI বিক্ষোভ দেখিয়েছিল, যখন রাজ্যপাল বোস প্রথমবার সমাবর্তনে যোগ দেন। সেই সময় তিনি প্রতিবাদীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করেছিলেন। এবারও তিনি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ডিগ্রি প্রদান করেন, কিন্তু প্রতিবাদের ছায়া পড়ে থাকে পুরো অনুষ্ঠানে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং প্রাক্তনীদের একাংশ মনে করেন, সমাবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে প্রতিবাদ করা ঠিক নয়, কারণ এটি ছাত্র-ছাত্রীদের অর্জনের দিন। তবু অনেকে বলছেন, দাবিগুলো যৌক্তিক এবং দীর্ঘদিনের, তাই প্রতিবাদের মাধ্যমে সেগুলো তুলে ধরা ছাড়া উপায় নেই। যাদবপুরের ছাত্র রাজনীতি সবসময়ই বিতর্কের কেন্দ্রে। রাজ্য সরকার এবং রাজভবনের মধ্যে চলতি দ্বন্দ্বের প্রভাবও পড়ে এখানে।

ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হওয়ার পিছনে প্রশাসনিক জটিলতা এবং রাজনৈতিক চাপের অভিযোগ উঠেছে বারবার। SFI-র নেতারা বলছেন, ছাত্রদের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেন যে, নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এই প্রতিবাদের ফলে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি হলেও, শেষ পর্যন্ত সবকিছু শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন