আইএসআই (ISI)-এর পর এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় আল কায়েদা ইন ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট (AQIS)-এর মডিউল সক্রিয় করার চেষ্টার খবর সামনে এল। রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF) অভিযান চালিয়ে ভাঙড় ও নোদাখালি এলাকা থেকে দু’জন সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছে।
আরও পড়ুনঃ বাজেনি ফায়ার অ্যালার্ম, বন্ধ ছিল এমার্জেন্সি এক্সিট গেট! এত মৃত্যু দায় কার!
কীভাবে ফাঁস হলো নেটওয়ার্ক?
-
সোশ্যাল মিডিয়ায় উসকানিমূলক প্রচার: সামাজিক মাধ্যমে ‘মুঘলে আজম’ এবং ‘জিহাদ-ই-সবিবিল্লাহ’ নামক দুটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে ভারতবিরোধী প্রচারণা ও উসকানিমূলক বার্তা ছড়ানো হচ্ছিল।
-
দাওয়াত ও প্রভাব বিস্তার: অভিযোগ, নির্দিষ্ট এলাকায় ‘দাওয়াত’-এর নাম করে লোকজনকে জড়ো করা এবং মাদ্রাসাকে ব্যবহার করে মতাদর্শগত প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চলছিল।
ধৃতদের পরিচয় ও কার্যক্রম
-
জিন্নাতুল কিবরিয়া ওরফে টুটুল: ভাঙড়ের পানাপুকুর এলাকার একটি ভাড়া বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে। স্থানীয়দের মতে, তিনি একা থাকতেন, বাইরে খুব একটা বের হতেন না এবং বেশির ভাগ সময় মোবাইল ফোনে ব্যস্ত থাকতেন।
-
সফিক শেখ: নোদাখালি এলাকা থেকে এসটিএফের হাতে ধরা পড়েন সফিক।
আরও পড়ুনঃ শ্রাবণের শেষ সোমবারে মন্দিরে হুড়োহুড়ি, পদপিষ্ট হয়ে বিহারে অন্তত সাত পুণ্যার্থীর মৃত্যু
তদন্তকারীদের দাবি ও পরিকল্পনা
গোয়েন্দাদের মতে, ধৃত দু’জনেই আকিস (AQIS)-এর সক্রিয় সদস্য। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতেও ধীরে ধীরে আল কায়েদার নেটওয়ার্ক ও মডিউল ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল তাঁদের মূল উদ্দেশ্য। ধৃতদের ডিজিটাল ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করে তাঁদের সঙ্গে আর কারা যুক্ত রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে এসটিএফ।


